Bizarre

সর্দি-কাশির ইঞ্জেকশন নিয়ে কোমায় তরুণী! ৯২ দিন পর বিয়ের ঠিক আগে ‘অলৌকিক ভাবে’ জেগে উঠলেন কনে

চিনা সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েক মাস আগে হালকা সর্দি-কাশির চিকিৎসার জন্য তিনি হাসপাতালে গিয়েছিলেন। তিনি স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারেননি এর পরবর্তী বেশ কয়েক মাস তাঁকে কোমায় থাকতে হবে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১১ মে ২০২৬ ১০:৪৭

ছবি: সংগৃহীত।

সামান্য সর্দি-কাশির সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে গিয়েছিলেন তরুণী। পরীক্ষা করে একটি ইঞ্জেকশন দিয়ে দেন চিকিৎসক। কয়েক মিনিটের মধ্যেই তরুণীর জিভ অসাড় হয়ে যায়। অ্যাসিডোসিস ও শ্বাসকষ্ট ধরা পড়ে। মস্তিষ্কে চার মিনিট ধরে অক্সিজেনের অভাব। ফলে কোমায় চলে যান তিনি। ৯২ দিন পর বিয়ের ঠিক দু’দিন আগেই চোখ মেলেছেন তরুণী। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, ঘটনাটি চিনের। একটি ভুল ইঞ্জেকশনের কারণে চার মিনিটের জন্য তার মস্তিষ্কে অক্সিজেনের অভাব দেখা দেয়। সেই মুহূর্তে তিনি কোমায় চলে যান এবং চার মাস পর, তাঁর বিয়ের ঠিক দু’দিন আগে জ্ঞান ফিরে পান। চিনা সমাজমাধ্যমে এই ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়তেই তা ভাইরাল হয়েছে। যদিও তার সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

Advertisement

চিনা সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েক মাস আগে হালকা সর্দি-কাশির চিকিৎসার জন্য তিনি হাসপাতালে গিয়েছিলেন। তিনি স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারেননি এর পরবর্তী বেশ কয়েক মাস তাঁকে কোমায় থাকতে হবে। ২৪ বছর বয়সি ওয়াং রানরান পূর্ব চিনের বাসিন্দা। তিনি এবং তাঁর বাগ্‌দত্তা ঝাং জিরুই গত ২৫ এপ্রিল বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। জানুয়ারিতে হালকা শীতে ওয়াঙের ঠান্ডা লেগে যায়। সর্দি সারাতে হাসপাতালে যান। সেখানে তাঁকে কোনও ওষুধে অ্যালার্জি আছে কি না সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা না করেই ইঞ্জেকশনটি দিয়ে দেওয়া হয়।

তদন্তে প্রকাশিত ইঞ্জেকশন যিনি দিয়েছিলেন তিনি চিকিৎসাকর্মী ছিলেন না। এর পর ক্লিনিকটি বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং ওয়াং ক্ষতিপূরণ হিসাবে ২ লক্ষ ইউয়ান পান। কিন্তু তত দিনে চিকিৎসার জন্য ৭ লক্ষ ইউয়ান খরচ হয়ে গিয়েছিল। অবশেষে বিয়ের ঠিক দু’দিন আগে এপ্রিল মাসে অলৌকিক ভাবে কোমা থেকে বেরিয়ে আসেন ওয়াং।

Advertisement
আরও পড়ুন