Hyundai car

গাড়ির ইঞ্জিনে ত্রুটি, গতির সমস্যা, ২৪ লাখি গাড়ি কিনে শাহরুখ-দীপিকার বিরুদ্ধে মামলা ঠুকলেন ক্ষুব্ধ আইনজীবী!

‘পোর্টফোলিয়োবুল’ নামের একটি এক্স হ্যান্ডল থেকে পোস্টদাতা প্রথম খন্না লিখেছেন, কীর্তি সিংহ নামে এক আইনজীবী প্রায় ২৪ লক্ষ টাকা মূল্যের একটি হুন্ডাই আলকাজ়ার কিনেছেন। শুরু থেকেই গাড়িটির ইঞ্জিনে সমস্যা, গতি বাড়ানোর সময় শক্তি কমে যাওয়া এবং অতিক্রম করার অসুবিধার মতো সমস্যা দেখা দিয়েছিল।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬ ১৮:০৮

ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।

২৪ লক্ষ টাকা গাঁটের কড়ি খরচ করে গাড়ি কিনেছিলেন রাজস্থানের আইনজীবী। কিন্তু এসইউভি কেনার পর গাড়ির পরিষেবা নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিলেন তিনি। নতুন গাড়িতে একাধিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে শেষমেশ মামলা ঠুকে দিলেন তিনি। গাড়ি নির্মাতা সংস্থার পাশাপাশি বলিউড তারকা শাহরুখ খান ও অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনের বিরুদ্ধেও মামলা করেছেন ওই আইনজীবী। এই মামলা সংক্রান্ত এক পোস্ট সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তা ভাইরাল হয়েছে। যদিও ওই পোস্টের সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

Advertisement

‘পোর্টফোলিয়োবুল’ নামের একটি এক্স হ্যান্ডল থেকে পোস্টদাতা প্রথম খন্না লিখেছেন, কীর্তি সিংহ নামে এক আইনজীবী প্রায় ২৪ লক্ষ টাকা মূল্যের একটি হুন্ডাই আলকাজ়ার কিনেছেন। শুরু থেকেই গাড়িটির ইঞ্জিনে সমস্যা, গতি বাড়ানোর সময় শক্তি কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিয়েছিল। পোস্টে দাবি করা হয়েছে, একাধিক বার সংস্থায় অভিযোগ জানিয়েও সুরাহা মেলেনি। তাই বাধ্য হয়ে আইনি পথে হাঁটতে বাধ্য হন গাড়ির মালিক।

কোনও সন্তোষজনক জবাব না পেয়ে কীর্তি হুন্ডাইয়ের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়েছেন বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টের যে অংশটি নেটাগরিকদের নজর কেড়েছে সেটি হল আইনজীবী শাহরুখ এবং দীপিকাকেও এই মামলায় টেনে এনেছেন। কারণ তাঁরা ব্র্যান্ডটির বিজ্ঞাপনের মুখ হিসাবে কাজ করেছিলেন। ভাইরাল পোস্টটিতে বলা হয়েছে, “ভাবুন তো, একটা গাড়ি কিনে শেষ পর্যন্ত বিজ্ঞাপনের তারকাদের বিরুদ্ধেই মামলা করতে হচ্ছে।’’

বিষয়টি সমাজমাধ্যমে বিতর্ক উস্কে দিয়েছে। নেটাগরিদের একাংশের মতে আইনি পদক্ষেপটি সংস্থাকে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য চাপ দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা যেতেই পারে। একই সঙ্গে কেউ কেউ মনে করছেন তারকা প্রচারকদেরও তাঁদের প্রচার করা পণ্যের জন্য কিছু দায়ভার বহন করা উচিত। নেটমাধ্যম ব্যবহারীদের অন্য অংশ মনে করছেন, ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডরের বিরুদ্ধে মামলা করার ধারণাটি ভাল বলে মনে হচ্ছে, কিন্তু আদালত মামলাটি গ্রহণ করবে কি না তা নিশ্চিত নই। কেউ কেউ আবার অভিযোগগুলিকে ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেছেন। এক নেটাগরিকের মন্তব্য, ‘‘মনগড়া সমস্যা। আইনজীবীদের হাতে মামলা না থাকলে এঁরা যেমন খুশি মামলা করে দেন।”

Advertisement
আরও পড়ুন