অভিযুক্ত সেই যুবক। ছবি: এক্স থেকে নেওয়া।
ট্রেনে বোনের সঙ্গে সফর করছিলেন তরুণী। এক দৃষ্টিতে তাঁর দিকে তাকিয়েছিলেন আপার বার্থে থাকা এক যুবক। প্রতিবাদ করতে পাল্টা জুটল চড় এবং হুমকি। চাঞ্চল্যকর তেমনই একটি ঘটনার ভিডিয়ো সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ঘটনাটি কবে এবং কোথায় ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে তা-ও ওই ভিডিয়ো থেকে স্পষ্ট নয়।
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, একটি চলন্ত ট্রেনের কামরায় জানালার ধারের আসনে বসে রয়েছেন এক তরুণী। সঙ্গে তাঁর বোনও আছেন। তাঁর ঠিক উল্টো দিকে আপার বার্থে এক যুবক বসে রয়েছেন। এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছেন তরুণীর দিকে। এমন সময় তরুণী প্রতিবাদ করে ওঠেন। প্রতিবাদ করেন তাঁর বোনও। কিন্তু দুই বোন যুবককে প্রশ্ন করা মাত্রই তিনি নীচে নেমে আসেন। কিছু না বলেই হঠাৎ এগিয়ে এসে চড় মারেন প্রথম তরুণীকে। এর পর ঝামেলা শুরু হয় দু’পক্ষের মধ্যে। আশ্চর্যজনক ভাবে আশপাশে আরও অনেক যাত্রী থাকলেও কেউ হস্তক্ষেপ করেননি। এর মধ্যেই যুবক হুমকির সুরে দাবি করেন যে তিনি সরকারি কর্মী এবং তরুণী গালিগালাজ করার জন্যই তিনি চড় মেরেছেন। অন্য দিকে তরুণীদ্বয়ের দাবি, যুবক আড়াই ঘণ্টা ধরে তাঁদের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। অস্বস্তিতে প়ড়ে তাঁরা প্রশ্ন করেন এবং প্রতিবাদ করার কারণেই যুবক চড় মেরেছেন। সেই ভি়ডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে।
ভাইরাল ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ‘অশ্বিনী সোনী’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটি দেখার পর নেটাগরিকদের অনেকে যেমন বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, তেমনই আবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকে। যুবকের শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন নেটাগরিকদের একাংশ। অনেকে আবার প্রশ্ন তুলেছেন নারী নিরাপত্তা নিয়ে। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে সমাজমাধ্যমে। বিতর্কের জন্ম হয়েছে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে অবিলম্বে রেলকর্মীদের জানানো বা সরকারি ‘হেল্পলাইনে’ অভিযোগ দায়ের করা গুরুত্বপূর্ণ বলেও পরামর্শ দিয়েছেন কেউ কেউ। এক নেটাগরিক ভিডিয়োটি দেখার পর লিখেছেন, ‘‘লজ্জাজনক ঘটনা। যুবকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’’