ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।
এক দিনের ছুটি কাটানোর জন্য রিসর্টে গিয়েছিলেন তরুণ। সারা দিন বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিয়ে সময় কাটাবেন বলে ঠিক করেছিলেন তিনি। দুপুর গড়াতে না গড়াতেই সকলে মিলে সুইমিং পুলে নামলেন। কিন্তু সুইমিং পুলের জলের গভীরতার সঙ্গে পেরে উঠলেন না তরুণ। জলে ডুবে মারা গেলেন তিনি। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমের পাতায় এমনই একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে (যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)।
‘দেশগুজরাত’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলের পাতায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে যে, কোনও এক রিসর্টের সুইমিং পুলে অনেকেই সাঁতার কাটছেন। জলে নামবেন বলে উপর থেকে লাফ দিচ্ছিলেন এক তরুণ। উপর থেকে লাফ দিয়ে জলে নামতেই বিপদে পড়লেন তিনি। ভেসে থাকার শত চেষ্টা করেও নিজেকে বাঁচাতে পারলেন না তরুণ। সুইমিং পুলে ডুবে মৃত্যু হয় তাঁর। গত ২৩ মার্চ এই ঘটনাটি গুজরাতের সুরতের তালাদ গ্রামের একটি রিসর্টে ঘটেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত তরুণের নাম পুরুষোত্তম চৌধরি (২২)।
বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে সেই রিসর্টে গিয়েছিলেন তিনি। দুপুর গড়িয়ে গেলে বন্ধুরা এক এক করে সুইমিং পুলে নামতে শুরু করেন। তার দেখাদেখি পুরুষোত্তমও উপর থেকে লাফিয়ে জলে নামেন। কিন্তু সুইমিং পুলের জলের গভীরতার সঙ্গে পেরে উঠলেন না তিনি। সাঁতার কেটে বার বার ভেসে ওঠার চেষ্টা করলেও পারছিলেন না। সুইমিং পুলের সামনে লাগানো সিসিটিভি ক্যামেরায় সেই দৃশ্য ধরা পড়ে।
পুরুষোত্তম যে ডুবে যাচ্ছিলেন তা প্রথমে টের পাননি তাঁর বন্ধুরা। কিছু ক্ষণ পর খেয়াল করলে সকলে মিলে পুরুষোত্তমকে সুইমিং পুল থেকে টেনে তোলেন। সঙ্গে সঙ্গে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। সেখানকার চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের দাবি, জলে ডুবেই মৃত্যু হয়েছে তরুণের।
ঘটনাটি কয়েক দিন আগে ঘটে গেলেও সমাজমাধ্যমের পাতায় নতুন করে সিসিটিভি ফুটেজটি ছড়িয়ে পড়েছে। তা দেখে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন নেটপাড়ার অধিকাংশ। এক নেটাগরিক এই প্রসঙ্গে লিখেছেন, ‘‘সুইমিং পুলের কাছে কোনও প্রশিক্ষিত কর্মী থাকা প্রয়োজন। যে কোনও মুহূর্তে কোনও বিপদ ঘটতে পারে। নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করার ব্যবস্থাও রাখা উচিত।’’