ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।
ট্রেনের মধ্যে চলছে ভজন-কীর্তন। ঢোল, খোল-করতাল বাজিয়ে চলছে ভক্তিমূলক গান। এই পর্যন্ত তা-ও সব ঠিক ছিল। কিন্তু এর পরই দেখা গেল এক অদ্ভুত দৃশ্য। ট্রেনের সেই কামরার সাইডের আপার বার্থকে রীতিমতো মন্দিরে বদলানো হয়েছে। ফুলেল সজ্জায় বদলে গেছে তার রূপ। বার্থ জুড়ে রাখা দেবতাদের ছবি। সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ঘটনাটি কোন ট্রেনে ঘটেছে তা-ও সেই ভিডিয়ো থেকে স্পষ্ট ভাবে জানতে পারা যায়নি।
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, ট্রেনের কামরায় হাতে আরতির থালা নিয়ে একদল মহিলা ভক্তিমূলক গান গাইছেন। সকলেই ঘুরে রয়েছেন সাইড বার্থের দিকে। কারণ, সেই দিকের উপরের বার্থে মানুষের জায়গায় ‘বসে রয়েছেন’ স্বয়ং ভগবান। সাইডের উপরের বার্থটি কমলা রঙের গাঁদা ফুলের মালা দিয়ে সুন্দর করে সাজানো হয়েছে। দেখে বোঝা যাচ্ছে না যে সেটি একটা ট্রেনের বার্থ। তার মধ্যে রাখা রয়েছে দেবতাদের ছবি। সেটিকে ঘিরেই ভিড় করেছেন যাত্রীরা। মহিলারা মাথায় ঘোমটা দিয়ে, হাতে আরতির থালা নিয়ে ভক্তিমূলক গান গাইছেন। এক তরুণ আবার ক্যামেরা হাতে সেই দৃশ্য ফ্রেমবন্দি করে রাখতে ব্যস্ত। কিছু মহিলা আবার সেই বার্থে রাখা দেবতার ছবির সামনে টাকা রেখে নমস্কারও করছেন। সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়।
‘এনসিআইবি হেডকোয়ার্টার্স’ তাদের নিজস্ব এক্স হ্যান্ডল থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করেছে। ভিডিয়োটি ভাইরালও হয়েছে। প্রায় তিন লক্ষের কাছাকাছি বার ভিডিয়োটি দেখে ফেলা হয়েছে। প্রায় দেড় হাজার নেটাগরিক ভিডিয়োটিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। ভিডিয়োটির মন্তব্যবাক্সে নেটাগরিকেরা নিজেদের অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এক নেটাগরিক এটিকে ‘পুজোস্পেশ্যাল ট্রেন’-এর আখ্যা দিয়েছেন।