Viral Video

নাইট শিফ্‌টে কাজ, ঘরে ফেরেন সকালে! তার পর কেমন কাটে জীবন? ভিডিয়োয় দেখালেন ৫০ বছর বয়সি ইঞ্জিনিয়ার

নয়ডায় কর্মরত ওই মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের নাম বিব্বন প্রসাদ। ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ভিডিয়ো শেয়ার করে কর্মক্ষেত্র থেকে ফেরার পর তাঁর জীবন কেমন কাটে, তা তুলে ধরেছেন তিনি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২১ জুন ২০২৬ ১৬:৫৯
Video shows glimpse of daily routine of 50-year-old mechanical engineer after night shift

ছবি: ইনস্টাগ্রাম।

নাইট শিফ্‌টে কাজ করেন। ঘরে ফেরেন সকালে। নিজের দৈনন্দিন রুটিনের ঝলক সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে নেটপাড়াকে চমকে দিলেন ৫০ বছর বয়সি এক প্রৌঢ়। নয়ডার বাসিন্দা ওই ৫০ বছর বয়সি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার তাঁর দৈনন্দিন রুটিনের ভিডিয়ো নেটমাধ্যমে শেয়ার করে প্রশংসাও কুড়িয়েছেন। ভিডিয়োয় তিনি দেখিয়েছেন, কী ভাবে খুব কম সময়ের মধ্যে তিনি নাইট শিফ্‌ট, ঘরের কাজ এবং নিজের রান্নার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখেন। ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিয়ো। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম

Advertisement

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নয়ডায় কর্মরত ওই মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের নাম বিব্বন প্রসাদ। ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ভিডিয়ো শেয়ার করে কর্মক্ষেত্র থেকে ফেরার পর তাঁর জীবন কেমন কাটে, তা তুলে ধরেছেন তিনি। ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, সকাল ৮টা নাগাদ নাইট শিফ্‌ট শেষ করে বাড়ি ফিরেছেন প্রসাদ। জুতো খুলে কিছু ক্ষণ বিশ্রাম নেওয়ার পরই ঘরের কাজে লেগে পড়েন তিনি। বালতিতে জল এবং ডিটারজেন্ট নিয়ে হাতে করে কাপড় কাচতে দেখা যায় তাঁকে। পরে কাপড়গুলি শোকানোর জন্য মেলে দেন। কাপড় ধোয়ার কাজ শেষ করে বাড়ির ভেতরের ছোট মন্দিরে গিয়ে প্রার্থনা করেন ওই ইঞ্জিনিয়ার। সকাল ১০টা নাগাদ অবশেষে ঘুমোতে যান তিনি।

এর পর সরাসরি সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিটের দৃশ্য দেখানো হয়। ঘুম থেকে উঠেই প্রসাদ রাতের খাবার তৈরির কাজে লেগে পড়েন। তাঁকে আটা মাখতে, রুটি বেলতে এবং রান্না করতে দেখা যায়। রান্না সেরে পরম তৃপ্তিতে সেই খাবার খান তিনি। দিনের শেষে আবারও সেই একই রুটিন শুরু হয়। রাত ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে তিনি কাজের ইউনিফর্ম পরে পরবর্তী নাইট শিফ্‌টের জন্য বেরিয়ে পড়েন।

ভিডিয়োটি নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডল থেকে শেয়ার করেছেন প্রসাদ। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘‘৫০ বছর বয়সে আমার একটি দিন (নাইট শিফ্‌টের পরের জীবন)।’’ পোস্টটি অনেক দর্শকের কাছ থেকে প্রচুর প্রশংসা পেয়েছে। প্রৌঢ় ইঞ্জিনিয়ারের শৃঙ্খলাবোধ এবং নিষ্ঠা দেখে মুগ্ধ হয়েছেন নেটাগরিকেরা। এক নেটাগরিক ভিডিয়োটি দেখার পর লিখেছেন, ‘‘কুড়ি-বাইশ বছর বয়সেও কাজ থেকে ফেরার পর আমি খুব একটা কিছু করতে পারতাম না। দিনের ক্লান্তি কাটিয়ে ওঠার জন্য কেবল বিছানায় শুয়ে থাকতাম। আপনি আমাকে প্রেরণা জুগিয়েছেন।’’ অন্য এক জন আবার লিখেছেন, ‘‘দৃঢ় লক্ষ্যসম্পন্ন প্রত্যেক পুরুষই জীবনের কোনও না কোনও পর্যায়ে এমন জীবন অতিবাহিত করেছেন। তবে বিব্বনবাবু এখনও স্বাবলম্বী। তাঁর জীবনযাপনের তুলনা নেই।’’

Advertisement
আরও পড়ুন