Viral Video

১০ দিন বাপের বাড়িতে স্ত্রী! একাদশ দিনে কেক নিয়ে হাজির স্বামী, বাক্স খুলতেই চমকালেন সকলে! ভাইরাল ভিডিয়ো

ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, এক যুবকের স্ত্রী তাঁর বাপের বাড়িতে গিয়েছিলেন। তিনি যাওয়ার দশ দিন পর স্বামীও সোজা শ্বশুরবাড়িতে হাজির হন। শ্বশুরবাড়ির লোকজন দরজা খুলতেই দেখেন জামাইয়ের হাতে একটি কেক।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬ ১০:০৯
Video shows husband arrives with cake at in-laws to pick up wife, everyone laugh after reading the message on the cake

ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

বিয়ের পর কয়েক দিনের জন্য স্ত্রীর বাপের বাড়ি যাওয়ার বিষয়টি বেশ স্বাভাবিক। কিন্তু বাড়িতে একা পড়ে থাকা স্বামীর অবস্থা নিয়ে তৈরি একটি অত্যন্ত মজার এবং মিষ্টি দৃশ্য সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, স্ত্রীকে নিয়ে আসতে শ্বশুরবাড়ি গিয়েছেন এক যুবক। তবে খালি হাতে নয়, সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন একটি কেক। আর কেকের ওপর লেখা বিশেষ বার্তাটি পড়ে শুধু স্ত্রীই নন, শ্বশুরবাড়ির লোকজনও হাসি চেপে রাখতে পারেননি। ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিয়ো। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ঘটনাটি কবে এবং কোথায় ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে, তা-ও ওই ভিডিয়ো থেকে স্পষ্ট নয়।

Advertisement

ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, স্ত্রী তাঁর বাপের বাড়িতে গিয়েছিলেন। তিনি যাওয়ার ১০ দিন পর স্বামীও সোজা শ্বশুরবাড়িতে হাজির হন। শ্বশুরবাড়ির লোকজন দরজা খুলতেই দেখেন জামাইয়ের হাতে একটি কেক। কেকের ওপর লেখায় স্পষ্ট করে লেখা, ‘‘আমার স্ত্রীকে ফেরত দাও।’’ সেই বার্তা দেখেই প্রথমে অবাক হয়ে যান যুবকের শ্বশুর-শাশুড়ি। তার পর হেসে ওঠেন। যুবকও হাসতে শুরু করেন। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে।

ভাইরাল ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ‘নটপারফেক্টবাটআস’ নামের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। সাড়ে চার কোটি বার দেখা হয়েছে ভিডিয়োটি। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। হাসির রোল উঠেছে নেটপাড়ায়। ভিডিয়োটি দেখার পর নেটাগরিকদের অনেকে যেমন মজার মজার মন্তব্য করেছেন, তেমনই আবার বিস্ময় প্রকাশ করেছেন অনেকে। স্ত্রীর প্রতি স্বামীর ভালবাসা এবং আবেগ দেখে নেটাগরিকদের একাংশ তাঁদের ‘আদর্শ দম্পতি’ তকমাও দিয়েছেন। এক নেটাগরিক ভিডিয়োটি দেখার পর লিখেছেন, ‘‘বিশ্বাস করুন, দাম্পত্যজীবন সুখের হবে কি না তা পুরুষরাই ঠিক করেন। তাঁদের ছোটখাটো প্রচেষ্টা এবং আচরণ স্ত্রীর মনে অপার আনন্দ বয়ে আনে।’’ অন্য এক জন আবার লিখেছেন, ‘‘এই দম্পতির ওপর যেন কারও কুদৃষ্টি না পড়ে! প্রত্যেক বাবা-মা যেন এমন এক জন পান, যিনি তাঁদের মেয়েকে খুব ভালবাসবেন এবং সম্মান করবেন।’’

Advertisement
আরও পড়ুন