Viral Video

সন্তানকে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলেন বাবা, অসহায় পিতার কোলেই ধীরে ধীরে শেষ হল ছোট্ট প্রাণ! প্রকাশ্যে হৃদয়বিদারক ভিডিয়ো

ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, এক নিষ্পাপ শিশুর জীবন শেষ হয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে। গাড়ির মধ্যে তার বাবা তাকে কোলে নিয়ে বসে রয়েছে। গাড়ির সামনে বসে রয়েছেন এক যুবক।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৫ মে ২০২৬ ১১:১৭
Video shows injured son dies in lap of father while going to hospital

ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

দুর্ঘটনায় মারাত্মক জখম হয়েছিল বালক। কিন্তু বাড়ি থেকে হাসপাতাল অনেক দূরে। ছেলেকে কোলে তুলে তড়িঘড়ি গাড়ি নিয়ে দূরের হাসপাতালের দিকেই রওনা হয়েছিল বাবা। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। হাসপাতাল নিয়ে যাওয়ার পথে রাস্তাতেই বাবার কোলে মৃত্যু হল বালকের। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের মীরাপুরে। সেই ঘটনার একটি ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম

Advertisement

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বন্ধুদের সঙ্গে একটি ঠেলাগাড়ি নিয়ে খেলার সময় সেটি সজোরে ধাক্কা মারে বালকের গলায়। দৌড়ে কিছু দূর গিয়েই পড়ে যায় সে। মুখ দিয়ে রক্ত বেরোতে শুরু করে। খবর পেয়ে সন্তানকে নিয়ে হাসপাতালের পথে রওনা দেন তার বাবা। কিন্তু মাঝপথেই মারা যায় বালক।

ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, এক নিষ্পাপ শিশুর জীবন শেষ হয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে। গাড়ির মধ্যে তার বাবা তাকে কোলে নিয়ে বসে রয়েছে। গাড়ির সামনে বসে রয়েছেন এক যুবক। তাঁর দাবি, মীরাপুরে হাসপাতাল না থাকার কারণে বালকটিকে নিয়ে দূরে যেতে হচ্ছে তাঁদের। এর কিছু ক্ষণের মধ্যে বাবার কোলেই ওই বালকের মৃত্যু হয়। তাকে জড়িয়ে অঝোরে কাঁদতে থাকে বাবা। হৃদয়বিদারক সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে।

ভাইরাল ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ‘ক্রেজ়ি_স্টাফ’ নামের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটি দেখার পর নেটাগরিকদের অনেকে যেমন কান্নায় ভেঙে পড়েছেন, তেমনই দুঃখপ্রকাশ করেছেন অনেকে। ওই এলাকার স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন নেটাগরিকদের একাংশ। জানা গিয়েছে, ওই ঘটনার পর স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অবস্থা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, কাছাকাছি ভাল চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকলে শিশুটির জীবন বাঁচানো যেত। এলাকায় কমিউনিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের অভাব এবং সময়মতো চিকিৎসা প্রদানে অক্ষমতাও আলোচনার প্রধান বিষয় হয়ে উঠেছে।

Advertisement
আরও পড়ুন