Illegal Guest House Demolished

টাকিতে ভাঙা হল বেআইনি গেস্ট হাউজ়

বিপুল পুলিশবাহিনী, প্রশাসনিক আধিকারিক, সেচ দফতর ও টাকি পুরসভার কর্মীদের উপস্থিতিতে প্রথমে এলাকা ঘিরে ফেলে ধাপে ধাপে ভাঙার কাজ শুরু হয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬ ০৭:৪৫
ভেঙে ফেলা হচ্ছে বেআইনি গেস্ট হাউজ়। বুধবার টাকিতে।

ভেঙে ফেলা হচ্ছে বেআইনি গেস্ট হাউজ়। বুধবার টাকিতে। ছবি: অর্ণব ব্রহ্ম ।

হাই কোর্টের নির্দেশে টাকিতে ইছামতী নদীর তীরে গড়ে ওঠা দু’টি বেআইনি গেস্ট হাউজ় ভাঙার কাজ শুরু করল প্রশাসন। বুধবার সকাল ১০টা থেকে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সেচ দফতরের জমিতে নির্মিত ‘টাকি সিটি গেস্ট হাউজ়’ ও ‘দিশা গেস্ট হাউজ়’-এ বুলডোজার চালানো হয়। প্রশাসন সূত্রের দাবি, নদীর ধারের সরকারি জমি দখল করেই ওই নির্মাণ হয়েছিল। তদন্ত ও শুনানির পরে হাই কোর্ট তা ভাঙার নির্দেশ দেয়।

অভিযান ঘিরে এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। বিপুল পুলিশবাহিনী, প্রশাসনিক আধিকারিক, সেচ দফতর ও টাকি পুরসভার কর্মীদের উপস্থিতিতে প্রথমে এলাকা ঘিরে ফেলে ধাপে ধাপে ভাঙার কাজ শুরু হয়।

প্রশাসনের দাবি, সিটি গেস্ট হাউজ়ের মালিক তৃণমূল নেতা তথা জেলা পরিষদের খাদ্য দফতরের কর্মাধ্যক্ষ শাহানুর মণ্ডল। বিভিন্ন অভিযোগে গ্রেফতার হয়ে তিনি বর্তমানে জেলে। অন্য দিকে, রাজবাড়ি ঘাট সংলগ্ন দিশা গেস্ট হাউজ়ের মালিক বারিক বিশ্বাসের বিরুদ্ধেও অতীতে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। সোনা পাচার ও গরু পাচার চক্রের সঙ্গে তাঁর নাম জড়ায়।

পুরপ্রধান সোমনাথ মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘পুরসভা আগেই নোটিস দিয়েছিল। তাঁর দাবি, অনুমোদিত অংশের বাইরে ইচ্ছামতো নির্মাণ বাড়ানো হয়েছিল এবং সেই অংশের জন্য কখনও সিসি নেওয়া হয়নি। তাই ওই নির্মাণ বৈধ ছিল না।’’ বিজেপি নেত্রী প্রিয়াঙ্কা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, ‘‘এটাই শুরু। আরও বেআইনি গেস্ট হাউজ়ের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা হবে।’’ হাই কোর্টের আইনজীবী ওমর ফারুক গাজির বক্তব্য, অবৈধ নির্মাণ ভাঙার ফলে টাকি আবার তার পুরনো গৌরব ফিরে পাবে।

আরও পড়ুন