ধৃত অ্যাম্বুল্যান্সচালককে নিয়ে ঘটনাস্থলে এনআইএ। —নিজস্ব ছবি।
তৃণমূল নেতার মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে উত্তর ২৪ পরগনায় হাড়োয়ায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বা এনআইএ-এর তদন্তকারী আধিকারিকেরা। বুধবার ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য ধৃত অ্যাম্বুল্যান্সচালককে নিয়ে গেলেন তাঁরা।
গত ১৯ মার্চ বসিরহাট মহকুমার হাড়োয়ার ঝুঝুরগাছা গ্রামের রাস্তার ধার থেকে তৃণমূলের বুথ সভাপতি মশিউর কাজীর ঝলসানো দেহ উদ্ধার হয়। ওই ঘটনার তদন্তের মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় জনৈক সুরজ মোল্লাকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। পরে ওই মামলার তদন্তভার যায় এনআইএ-র হাতে। পেশায় অ্যাম্বুল্যান্স চালক সুরজকে নিজেদের হেফাজতে নেয় তারা। সেই যুবককে সঙ্গে নিয়ে বুধবার এনআইএ আধিকারিকেরা ঘটনার পুনর্নির্মাণ করার পাশাপাশি তদন্তের জন্য ঝুঝুরগাছায় যায়। যে জায়গা থেকে তৃণমূল নেতার ঝলসানো এবং ক্ষতবিক্ষত দেহ মিলেছিল, যেখান থেকে তাঁর দু’টি কব্জিবিহীন হাত পড়েছিল।
অ্যাম্বুল্যান্সচালক সুরজকে দিয়ে কে, কোথায়, কী ভাবে এবং কখন তৃণমূল নেতার দেহ ফেলে গিয়েছিল এবং সেই সময় কারা কারা তাদের সঙ্গে ছিল তার খোঁজ নেওয়া হয়।
তিন দিন আগেই হাড়োয়া থানা ওই ঘটনার সুজয় মণ্ডল নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। বসিরহাট মহকুমা আদালতের নির্দেশে তিনি এখ পুলিশের হেফাজতে। পুলিশের একটি সূত্রে খবর, এনআইএ বসিরহাট মহকুমা আদালতে গিয়ে সুজয়কেও নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করবে।