central forces

বারাসত ও মধ্যমগ্রামে রুট মার্চ আধাসেনার

অতীতের একাধিক নির্বাচনে বারাসতে বিভিন্ন সময়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। শেষ পুরভোটে বারাসত শহর সকাল থেকে বহিরাগতদের দখলে চলে গিয়েছিল। যা নিয়ে শাসকদল তৃণমূলের অন্দরেই মতবিরোধ তৈরি হয়েছিল।

নিজস্ব সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৪ মার্চ ২০২৬ ০৫:০৫

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার আগেই রাজ্যে এসে পৌঁছেছে আধাসেনা। অনেক জায়গায় তারা ইতিমধ্যে রুট মার্চও শুরু করে দিয়েছে। মঙ্গলবার, দোলের দিন বারাসত ও মধ্যমগ্রাম— এই দুই কেন্দ্রে এলাকা চিনতে প্রথম বার পথে নামল আধাসেনা। বারাসত ও মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশের নেতৃত্বে দুই বিধানসভা এলাকার সাধারণ এবং স্পর্শকাতর এলাকাগুলি পরিদর্শন করেন জওয়ানেরা।

অতীতের একাধিক নির্বাচনে বারাসতে বিভিন্ন সময়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। শেষ পুরভোটে বারাসত শহর সকাল থেকে বহিরাগতদের দখলে চলে গিয়েছিল। যা নিয়ে শাসকদল তৃণমূলের অন্দরেই মতবিরোধ তৈরি হয়েছিল। এ বারও বারাসত ভাল ভাবেই চর্চায় রয়েছে। শাসক দলের হয়ে কে দাঁড়াবেন, বিরোধী দলগুলির, মূলত বিজেপির প্রার্থী নিয়েও প্রবল কৌতূহল রয়েছে এলাকায়। চর্চা এমনই যে, বারাসত দখলে শাসক-বিরোধী উভয় পক্ষই ঝাঁপাবে। ফলে সেখানে ভোট শান্তিপূর্ণ না হলে দায় বর্তাবে প্রশাসনের উপরেই।

এ দিন আধাসেনাদের চারটি সেকশন মিলিয়ে জনা ৩০ জওয়ানকে নিয়ে রুট মার্চ পরিচালনা করে বারাসত থানা। বারাসতে বুথ রয়েছে ২৯৬টি। এর মধ্যে বেশ কিছু জায়গা রয়েছে, যেগুলি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। সেই সব জায়গায় এ দিন আধাসেনার জওয়ানেরা টহল দেওয়ার সময়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের ভোটের দিনের অভিজ্ঞতা জানতে চান বলে প্রশাসন সূত্রের খবর। এ দিন সকালে মধ্যমগ্রাম বিধানসভার একাধিক জায়গাতেও রুট মার্চ করে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ওই বিধানসভা কেন্দ্রেও একাধিক স্পর্শকাতর এলাকা রয়েছে।

বারাসত লাগোয়া শাসনের ২ নম্বর ব্লকে সোমবার থেকেই রুট মার্চ শুরু হয়ে গিয়েছে। ১০১টি বুথ রয়েছে সেখানে। প্রসঙ্গত, প্রত্যেক ভোটের সময়ে শাসনের সিংহভাগ বুথই স্পর্শকাতর হিসেবে ঘোষণা করা হয়। কারণ, নির্বাচনে বোমা-বন্দুকের লড়াই শাসনে কার্যত সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুন