West Bengal assembly election 2026

ভোটের কাজে নেওয়া বাসের ভাড়া বাড়ানোর দাবিতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে চিঠি, সঙ্গে ৬-৮ দফায় ভোটের প্রস্তাব

নির্বাচনের প্রাক্‌মুহূর্তে বাস ও মিনিবাস মালিকদের এই আর্থিক দাবির বিষয়ে নির্বাচন দফতর কী সিদ্ধান্ত নেয়, তা সময়ই বলবে। ভোটের সময় পরিবহণই প্রশাসনের অন্যতম ভরসা হওয়ায় বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচিত হবে বলেই মনে করছে পরিবহণমহলের একাংশ।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:৫৫
A letter has been submitted to the Election Commission office demanding an increase in bus fares for vehicles requisitioned for election duty

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বাস ও মিনিবাসের ভাড়া বৃদ্ধি এবং কর্মীদের টিফিন ভাতা বাড়ানোর দাবিতে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-এর দফতরে পুনরায় আবেদন জানাল ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল বাস ও মিনিবাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন’। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পূর্বে ২৯ জানুয়ারি এই মর্মে একটি চিঠি পাঠানো হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও জবাব মেলেনি। ফলে নির্বাচন দুয়ারে কড়া নাড়ায় ফের চিঠি পাঠানো হয়েছে সিইও-র কাছে।

Advertisement

সংগঠনের দাবি, ২০২৪ সালের নির্ধারিত ‘হায়ারিং চার্জ’ বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। প্রস্তাব অনুযায়ী, জ্বালানি বাদে বাসের ভাড়া ২,০৯০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২,৮০০ টাকা এবং মিনিবাসের ক্ষেত্রেও সমপরিমাণ বৃদ্ধি চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রত্যেক কর্মীর জন্য টিফিন ভাতা ৩০০ টাকা এবং নাইট হল্ট বাবদ ৫০০ টাকা নির্ধারণের আবেদন জানানো হয়েছে। সংগঠনের আরও বক্তব্য, জ্বালানি, রক্ষণাবেক্ষণ ও শ্রমিক ব্যয়ের ঊর্ধ্বগতির জেরে পুরনো হারে পরিষেবা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচনকালীন পরিবহণ পরিষেবা নির্বিঘ্ন রাখতে ভোটগ্রহণ কমপক্ষে ৬ থেকে ৮ দফায় আয়োজন করা হলে যানবাহন ব্যবস্থাপনা সহজ হবে। এতে প্রশাসনের পাশাপাশি পরিবহণ মালিকদেরও পরিকল্পনা করতে সুবিধা হবে বলে দাবি সংগঠনের।

সংগঠনের সম্পাদক প্রদীপনারায়ণ বসুর স্বাক্ষরিত ওই চিঠির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে রাজ্যের পরিবহণসচিব সৌমিত্র মোহনকে। এ বিষয়ে পরিবহণ দফতরের হস্তক্ষেপ দাবি করা হয়েছে। নির্বাচনের প্রাক্‌মুহূর্তে বাস ও মিনিবাস মালিকদের এই আর্থিক দাবির বিষয়ে নির্বাচন দফতর কী সিদ্ধান্ত নেয়, তা সময়ই বলবে। ভোটের সময় পরিবহণই প্রশাসনের অন্যতম ভরসা হওয়ায় বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচিত হবে বলেই মনে করছে পরিবহণ মহলের একাংশ।

Advertisement
আরও পড়ুন