BJP MLA East Bardhaman

বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি ছাড়া তাদের খেলার মাঠ খুলে দিয়ে বিতর্কে বিজেপি বিধায়ক

স্থানীয় কংগ্রেস নেতা গৌরব সমাদ্দার বলেন,“বিধায়ক জানেন না কোনটা তার এক্তিয়ারের মধ্যে আর কোনটা তার বাইরে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৪ মে ২০২৬ ০২:১৪
মাঠের দরজা খুলে দিচ্ছেন বিধায়ক।

মাঠের দরজা খুলে দিচ্ছেন বিধায়ক। নিজস্ব চিত্র।

বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠের তালা খোলা নিয়ে এ বার বির্তকে জড়ালেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র। এত বছর ধরে বন্ধ থাকা মোহনবাগান মাঠের তালা বিধায়ক কী ভাবে খুলে দিলেন সেই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা।্

Advertisement

স্থানীয় সূত্রের খবর, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা মোহনবাগানের মাঠ বহু বছর ধরে বন্ধ ছিল। শনিবার বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে এসে মাঠ বন্ধ থাকতে দেখেন বিধায়ক। তখন তিনি তাঁর সঙ্গে থাকা কর্মীদের সেই মাঠ খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন। তাতেই বাধে গোলযোগ।

স্থানীয় কংগ্রেস নেতা গৌরব সমাদ্দার বলেন,“বিধায়ক জানেন না কোনটা তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে আর কোনটা তাঁর বাইরে। তিনি রসিকতা করে বলেন, বাচ্চারা নতুন বই পেলে যেমন পাতা উল্টে উল্টে দেখে ঠিক তেমনি নতুন বিধায়ক প্রতিদিন ছুটে বেড়াচ্ছেন সঙ্গী নিয়ে গলায় মালা পরে।”

অন্য দিকে, বিজেপি বিধায়ক মৌমিতা বলেন, “মাঠ বন্ধ থাকা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এ বার থেকে শিশু হোক বা বয়স্ক সবাই এখানে আসতে পারবেন, মর্নিং ওয়াক বা ইভিনিং ওয়াক করতে পারবেন এবং খেলাধুলো করতে পারবেন।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শঙ্কর কুমার নাথ বলেন, “তিনি বা রেজিস্ট্রার কেউই জানতেন না। তাদেরকে কার্যত না জানিয়েই মাঠ খুলে দেওয়া হয়েছে। এতে সমস্যা হল। কারণ মোহনবাগান মাঠে সকাল ও বিকেলে স্নাতকোত্তর পড়ুয়াদের প্রশিক্ষণ চলে। তা ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সব পড়ুয়া বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক খেলায় অংশ নেন, তাঁরাও ওই মাঠে অনুশীলন করেন। ইতিমধ্যেই প্রশিক্ষক এক জন অধ্যাপককে সমস্যাটি জানিয়েছেন। আমি তাঁকে লিখিত ভাবে অভিযোগ জানাতে বলেছি।”

Advertisement
আরও পড়ুন