Bardhaman GT Road Colour

জিটি রোডে রংবদল, নীল-সাদা মুছে গেরুয়া রং করছেন কারা? প্রশ্ন তুলল খোদ বর্ধমান পুরসভা থেকে পূর্ত দফতর

সরকারি মানচিত্র অনুযায়ী, জিটি রোডের পুলিশ লাইন মোড় থেকে উল্লাস মোড় পর্যন্ত অংশটি বর্ধমান উত্তর বিধানসভার অন্তর্গত। স্থানীয়েরা জানাচ্ছেন, গত কয়েক দিন ধরে ধাপে ধাপে জিটি রোডের বিভিন্ন ডিভাইডারের রেলিংয়ের রংবদল করা হচ্ছিল।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬ ২১:৪৭
Bardhaman GT Road Colour

পুরসভা জানে না, কিন্তু দিনের বেলা রং হচ্ছে রাস্তার রেলিংয়ে! —নিজস্ব চিত্র।

আলোর রং বদলেছে নবান্ন থেকে মহাকরণে। নীল-সাদা মুছে গিয়ে গেরুয়া রঙের আলোয় সেজেছে রাজ্যের প্রশাসনিক ভবন। কিন্তু রাস্তাঘাটে রংবদল হয়নি। সম্প্রতি চোখে পড়ে, গেরুয়া রঙের পোচ পড়েছে বর্ধমান শহরের গুরুত্বপূর্ণ জিটি রোডের একাংশে। নীল-সাদার উপর সাদা রং চাপানো হয়েছিল। তার উপর এখন ফুটে উঠেছে গেরুয়া রং। ডিভাইডারের রেলিংও তাই।

Advertisement

সরকারি মানচিত্র অনুযায়ী, জিটি রোডের পুলিশ লাইন মোড় থেকে উল্লাস মোড় পর্যন্ত অংশটি বর্ধমান উত্তর বিধানসভার অন্তর্গত। স্থানীয়েরা জানাচ্ছেন, গত কয়েক দিন ধরে ধাপে ধাপে জিটি রোডের বিভিন্ন ডিভাইডারের রেলিংয়ের রংবদল করা হচ্ছিল। বিশেষ করে ঘোড়দৌড় চটি এলাকায় বিজেপির জেলা কার্যালয়ের সামনের ডিভাইডারে আগের নীল-সাদা রং মুছে গিয়েছিল আগেই। একই ভাবে পুলিশ লাইন থেকে উল্লাস মোড়ের দিকে ইন্দ্রকানন সংলগ্ন ডিভাইডারের রেলিংয়েও গেরুয়া রঙের প্রলেপ পড়েছে।

নতুন সরকার গঠনের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী অবশ্য ঘোষণা করেছিলেন, শুধুমাত্র রং পরিবর্তনের জন্য সরকারি অর্থ অপচয় করা হবে না। যদিও সরকার গঠনের এক মাস পর বর্ধমান শহর দেখল রংবদল। বর্ধমান পুরসভার চেয়ারম্যান পরেশচন্দ্র সরকারের অবশ্য দাবি, ‘‘কে বা কারা গেরুয়া রং করেছেন, তা আমাদের জানা নেই। পুরসভার পক্ষ থেকে কাউকে রং করার কোনও অনুমতি দেওয়া হয়নি।’’ একই সুর শোনা গিয়েছে পূর্ত দফতরের গলাতেও। পূর্ত দফতরের বাস্তুকার গৌতম চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আমরাও কাউকে গেরুয়া রং করার অনুমতি দিইনি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানায় অভিযোগ দায়ের করা হবে।’’ তা হলে কারা এই রংবদলের কাজ করেছেন? সরকারি অনুমতি ছাড়াই সরকারি সম্পত্তিতে রং পড়ছে? উঠছে প্রশ্ন।

Advertisement
আরও পড়ুন