Election Commission of India

রাজ্যের আর্জি খারিজ করল কমিশন, প্রশিক্ষণে যেতে হবে স্বরাষ্ট্রসচিব-সহ ২৪ জন আইএএস-আইপিএসকে

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর জানিয়েছে, শারীরিক অসুস্থতার কারণে আইপিএস হৃষীকেশ মীনা ৫-৬ ফেব্রুয়ারির বৈঠক ও প্রশিক্ষণপর্বে যোগ দিতে হবে না। বাকি ২৪ জনকে দিল্লি যেতে হবে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৮:৫৪
ECI rejects appeals from Nabanna for reconsideration of decision,15 IAS and 10 IPS from West Bengal have to be work as central observer

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে অন্য রাজ্যের পর্যবেক্ষক নিয়োগের জন্য রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ প্রসাদ মীনা-সহ ১৫ জন আইএএস এবং ১০ জন আইপিএস আধিকারিককে দিল্লিতে প্রশিক্ষণের জন্য ডেকেছিল কমিশন। পরিবর্তে বিকল্প নাম পাঠিয়েছিল রাজ্য। কিন্তু বুধবার রাজ্যের বিকল্প নামের প্রস্তাব খারিজ করে দিল কমিশন। ফলে ওই ২৫ জনের মধ্যে ২৪ জনকে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া দু’দিনের বৈঠক ও প্রশিক্ষণে যোগ দিতে হবে।

Advertisement

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর জানিয়েছে, শারীরিক অসুস্থতার কারণে আইপিএস হৃষীকেশ মীনা ৫-৬ ফেব্রুয়ারির বৈঠক ও প্রশিক্ষণ পর্বে যোগ দিতে হবে না। কমিশন সূত্রের খবর, ওই ১৫ জনের মধ্যে ন’জনের নাম নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল রাজ্য। তাঁদের পরিবর্তে বিকল্প নাম পাঠানো হয়েছিল নবান্ন থেকে। অন্য দিকে, ১০ জন আইপিএস অফিসারের মধ্যে বিকল্প আট জন অফিসারের নাম জমা দিয়েছিল রাজ্য। রাজ্যের তরফে কমিশনকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু তা খারিজ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের এপ্রিল-মে মাসে পশ্চিমবঙ্গ, কেরল, তামিলনাড়ু, অসম এবং পুদুচেরিতে বিধানসভা ভোট হওয়ার কথা। ভিন্‌রাজ্যে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক (এবং পুলিশ পর্যবেক্ষক) হিসাবে কাজ করার জন্য পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের ওই ২৫ জন আইএএস-আইপিএস-কে ডেকেছিল কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়ালকে চিঠি পাঠিয়ে এ বিষয়ে অবহিত করেছিলেন কমিশনের আন্ডার সেক্রেটারি এমএল মীনা।

জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে পাঠানো চিঠিতে জানানো হয়, আগামী ৫ এবং ৬ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের উপস্থিতিতে ওই বৈঠক এবং ভোট পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ হবে দিল্লির দ্বারকার ‘ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ডেমেক্র্যাসি অ্যান্ড ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট’-এ। কোনও আইএএস-আইপিএস গরহাজির হলে তাঁর বিরুদ্ধে ‘শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে’ পদক্ষেপ করা হবে বলে স্পষ্ট ভাষায় জানানো হয়েছিল কমিশনের চিঠিতে। কমিশনের একটি সূত্র জানাচ্ছে, এর কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসাবে নিয়োগের জন্য রাজ্যের কাছে একাধিক বার নাম চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু নবান্ন নাম না দেওয়ায় সরাসরি পদক্ষেপ করা হয়। ঘটনাচক্রে, কমিশনের বার্তা আসার পরেই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবিতে তৎপর হয়েছিল রাজ্য। কিন্তু তাতে সাড়া দিল না কমিশন।

Advertisement
আরও পড়ুন