Abhishek Banerjee

অভিষেকের কাছ থেকে আরও নথি চাইল ইডি! জিজ্ঞাসাবাদের সময় কিছু প্রশ্নের উত্তরে সন্তুষ্ট নন তদন্তকারী আধিকারিকেরা

সোমবার সকাল ১১টার কিছু আগে সল্টলেকে সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে যান অভিষেক। বেরোন রাত ১০টা নাগাদ। প্রাথমিকের নিয়োগ মামলায় দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ পর্বে অভিষেকের কাছ থেকে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করেন তদন্তকারীরা।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১৬ জুন ২০২৬ ১১:৫১
তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। — ফাইল চিত্র।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে এ বার নথিপত্র চেয়ে পাঠাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। সোমবার প্রায় ১১ ঘণ্টা ইডির দফতরে ছিলেন অভিষেক। ইডি সূত্রে খবর, সোমবার জিজ্ঞাসাবাদের সময়ে কিছু প্রশ্নের ঠিক ভাবে উত্তর দেননি তৃণমূল নেতা। জিজ্ঞাসাবাদ পর্বে তিনি পুরোপুরি সহযোগিতা করেননি বলেও মনে করছে ইডির একটি সূত্র। এখনই অভিষেককে ফের তলব করা হচ্ছে না। তবে পরবর্তী সময়ে আবার ডেকে পাঠানোর প্রয়োজন হতে পারে, এমন সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা।

Advertisement

সোমবার সকাল ১১টার কিছু আগে সল্টলেকে সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে যান অভিষেক। বেরোন রাত ১০টা নাগাদ। প্রাথমিকের নিয়োগ মামলায় দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ পর্বে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের কাছ থেকে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করেন তদন্তকারীরা। এ বার জানা গেল, তাঁর কাছ থেকে বেশ কিছু নথিও চেয়েছে ইডি। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, মূলত সম্পত্তি সংক্রান্ত বিভিন্ন নথি চাওয়া হয়েছে। আইনজীবী মারফত বা অন্য কারও মাধ্যমে সেই নথি ইডির কাছে পাঠাতে পারেন তৃণমূল নেতা।

উল্লেখ্য, প্রাথমিকের নিয়োগ মামলায় আগেও নথি জমা দিয়েছেন তৃণমূল নেতা। তবে আগে জমা পড়েনি, এমন বেশ কিছু নথি বর্তমানে খতিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। সেই কারণেই ওই নথিগুলি চাওয়া হয়েছে। যদিও ওই নথিগুলি ইডির দফতরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য অভিষেকের সেখানে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।

রবিবার ভবানী ভবনের সিআইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন অভিষেক। বিধানসভায় সই জাল কাণ্ডে সাড়ে আট ঘণ্টা সেখানে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সোমবারও ১১ ঘণ্টা সিজিও কমপ্লেক্সে ছিলেন অভিষেক। তৃণমূল নেতার দাবি, ১১ ঘণ্টা ধরেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সিজিও থেকে বেরিয়ে অভিষেক বলেন, “এই ঘটনায় আমাকে শেষ বার ডাকা হয়েছিল ২০২৩ সালে। আমি তখনও এসেছিলাম। সব মিলিয়ে ১০-১২ বার আমি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সামনে উপস্থিত হয়েছি। আমার সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য করেছি।’’

Advertisement
আরও পড়ুন