ED Raids I-PAC Office

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের বিরুদ্ধে জোড়া মামলা দায়ের করল ইডি! যুক্ত করা হল মুখ্যমন্ত্রী, কলকাতার সিপির নাম

একটি মামলা ইডির তরফে দায়ের করা হয়েছে। অপর মামলাটি দায়ের করেছেন ইডির তিন আধিকারিক। দুই মামলাতেই রাজ্যের পাশাপাশি যুক্ত করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের ডিজি, কলকাতার পুলিশ কমিশনারের নাম।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ১১:৫২
রাজ্যের বিরুদ্ধে দায়ের করা জোড়া মামলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও যুক্ত করল ইডি।

রাজ্যের বিরুদ্ধে দায়ের করা জোড়া মামলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও যুক্ত করল ইডি। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

আইপ্যাক-কাণ্ডে রাজ্যের বিরুদ্ধে জোড়া মামলা দায়ের করল ইডি। সোমবার একটি মামলা ইডির তরফে দায়ের করা হয়েছে। অপর মামলাটি দায়ের করেছেন ইডির তিন আধিকারিক নিশান্ত কুমার, বিক্রম অহলওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা। দুই মামলাতেই রাজ্যের পাশাপাশি যুক্ত করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার পুলিশ কমিশনার (সিপি) মনোজকুমার বর্মা, কলকাতা পুলিশের ডিসি (দক্ষিণ) প্রিয়ব্রত রায় এবং সিবিআইকে।

Advertisement

আইপ্যাক-কাণ্ডে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা করেছে ইডি। সেই মামলার শুনানি ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মুলতুবি করা হয়েছে। রাজ্য সরকারের আশঙ্কা ছিল যে, ইডি ওই মামলা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে। সে কারণে সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল করে রেখেছিল রাজ্য, যাতে সেখানে ইডির বক্তব্য একতরফা ভাবে না শোনা হয়। যদি ইডি মামলা করে, তা হলে দুই পক্ষের বক্তব্য যেন শোনা হয়, সেই জন্য দাখিল করা হয় ক্যাভিয়েট।

প্রসঙ্গত, আইপ্যাক-কাণ্ডে সিবিআই তদন্ত চেয়ে হাই কোর্টের কাছে আর্জি জানিয়েছিল ইডি। কিন্তু শুক্রবার বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে অত্যধিক ভিড় থাকায় শুনানি শুরুই করা যায়নি। বিচারপতি এজলাস ছেড়ে বেরিয়ে যান।

কয়লাকাণ্ডে বৃহস্পতিবার আইপ্যাক-কর্তা প্রতীকের বাড়ি এবং সংস্থার দফতরে তল্লাশি চালায় ইডি। ২০২০ সালে সিবিআই কয়লা পাচার সংক্রান্ত একটি এফআইআর করে। ওই এফআইআরের ভিত্তিতে পিএমএলএ ২০০২ অনুযায়ী তদন্ত শুরু করে ইডি। প্রায় ২,৭৪২ কোটি টাকার আর্থিক লেনদেনের মামলায় তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাদের অভিযোগ, এই টাকার একটি অংশ হাওয়ালা মারফত আইপ্যাকের কাজে ব্যবহৃত হয়েছে, বিশেষত গোয়ায়। সেই মামলার সূত্রে দিল্লি ও কলকাতায় ১০টি জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। তার মধ্যে ছিল প্রতীকের বাড়ি এবং সল্টলেক সেক্টর ফাইভে সংস্থার দফতর।

ইডির দাবি, তাদের অনুমোদিত তল্লাশির সময় পুলিশের সাহায্য নিয়ে তাদের হেফাজত থেকে ‘অপরাধ সংক্রান্ত নথি’ নিয়ে বেরিয়ে গিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ‍্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তল্লাশি চলার সময় ডিজিটাল ডিভাইস (ল্যাপটপ, মোবাইল, হার্ডডিস্ক), গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র জোর করে পুলিশ দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় বলেও দাবি ইডির। ইডির মতে, এতে তাদের তদন্ত ‘বাধাপ্রাপ্ত’ হয়। ডিজিটাল ফরেন্সিক নমুনা সংগ্রহের কাজ মাঝপথে বন্ধ হয়ে যায়। ইডির আরও দাবি, তারা আইপ্যাকের দফতরে ঢুকে তল্লাশি শুরু করলেও রাজ্য পুলিশের বাধায় কাজ করা যায়নি।

Advertisement
আরও পড়ুন