Cultural Program

মন্ত্রী-ঘনিষ্ঠ না হওয়ায় মেলেনি ডাক, সরব শিল্পীরা

এ দিন রবীন্দ্র সদন চত্বরে জড়ো হওয়া শিল্পীদের মধ্যে দোলা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং প্রবীর দাসের সাফ বক্তব্য, গত কয়েক বছরে সারা রাজ্যে যত সরকারি অনুষ্ঠানহয়েছে, সে সবের সিংহভাগ ক্ষেত্রে গান গেয়েছেন ইন্দ্রনীল ও শিবাজীর ঘনিষ্ঠ ২০-২৫ জন।

নিজস্ব সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৭ মে ২০২৬ ০৯:৩২

— প্রতীকী চিত্র।

যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তথ্য-সংস্কৃতি মন্ত্রী কিংবা তাঁর ঘনিষ্ঠ বৃত্তে না থাকার কারণে সরকারি অনুষ্ঠানে গান গাওয়ার ডাক পাননি বলে মঙ্গলবার অভিযোগ করলেন সঙ্গীতশিল্পীদের একাংশ। এ দিন রবীন্দ্র সদন চত্বরে এসে তাঁরা অভিযোগ করেন, তৃণমূল আমলে সরকারি অনুষ্ঠানে শিল্পী-তালিকা তৈরি হত তৎকালীন তথ্য-সংস্কৃতি মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন ও সঙ্গীতশিল্পী শিবাজী চট্টোপাধ্যায়ের নির্দেশে। শিবাজী পেশাদার সঙ্গীতশিল্পীদের সংগঠন ‘অ্যাপস’-এর সভাপতি। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দু’জনেই।

এ দিন রবীন্দ্র সদন চত্বরে জড়ো হওয়া শিল্পীদের মধ্যে দোলা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং প্রবীর দাসের সাফ বক্তব্য, গত কয়েক বছরে সারা রাজ্যে যত সরকারি অনুষ্ঠানহয়েছে, সে সবের সিংহভাগ ক্ষেত্রে গান গেয়েছেন ইন্দ্রনীল ও শিবাজীর ঘনিষ্ঠ ২০-২৫ জন। যাঁদের প্রত্যেকেই অ্যাপস-এর সদস্য। দোলার অভিযোগ, ‘‘আমাদের মঞ্চ দেননি ইন্দ্রনীল সেন। অ্যাপস আমাদের পাশে দাঁড়ায়নি। নবান্নে চিঠি দেওয়ার পরে ইন্দ্রনীলদা রবীন্দ্র সদনে ডেকে পাঠিয়েছিলেন। আমি দেখা করতে গেলে ওঁর ব্যক্তিগত সচিবআমাকে কুকুর লেলিয়ে তাড়া করেন। অনেকে এখনও ভয় পাচ্ছেন কথা বলতে।’’ প্রবীরের অভিযোগ, ‘‘শিবাজীদা এবং ইন্দ্রনীলদার স্নেহধন্য ২০-২৫ জন কলকাতা, উত্তরবঙ্গ— সর্বত্র অনুষ্ঠান করতেন। তাঁরা শিল্পী নির্বাচনেরবিচারক হতেন, সঙ্গীতমেলার সংগঠক হতেন। আমাদের কাছে সব প্রমাণ আছে।’’

যদিও ইন্দ্রনীল এবং শিবাজী, দু’জনেই সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।শিবাজীর কথায়, ‘‘সরকারি অনুষ্ঠানের শিল্পী তো সরকার ঠিক করেছে। ঘটনাচক্রে, তাঁরা অ্যাপস-এর সদস্য। তা-ও সঙ্গীতমেলায় অ্যাপস-এর সব শিল্পীই কম-বেশি সুযোগ পেয়েছেন।’’ প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীলেরবক্তব্য, ‘‘আমি এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করব না।’’

আরও পড়ুন