I-PAC Case in Supreme Court

সুপ্রিম কোর্টে আবার পিছিয়ে গেল আই-প্যাক মামলার শুনানি! ১০ দিনে দ্বিতীয় বার

গত ৮ জানুয়ারি কয়লা পাচার সংক্রান্ত একটি মামলায় আই-প্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং দফতরে হানা দিয়েছিল ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ওই তল্লাশি অভিযান চলাকালীন সেখানে উপস্থিত হন রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২২ মে ২০২৬ ১৭:২৩

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

সুপ্রিম কোর্টে আবার পিছিয়ে গেল আই-প্যাক মামলার শুনানি। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরে দ্বিতীয় বার। শুক্রবার বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র এবং বিচারপতি এনভি অঞ্জরিয়ার বেঞ্চে শুনানির কথা ছিল মামলাটির। যদিও তা হয়নি। অগস্ট মাসে এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

Advertisement

গত ১৩ মে সুপ্রিম কোর্টে আই-প্যাক মামলার শুনানি পিছিয়ে গিয়েছিল। এই মামলায় সওয়াল করার জন্য সময় চেয়েছিলেন কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। আদালতকে তিনি জানিয়েছিলেন, মামলার শুনানি মুলতুবি রাখা হোক। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে ২২ মে পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছিল শীর্ষ আদালত। এ বার ফের পিছিয়ে গেল মামলার শুনানি।

এর আগে গত এপ্রিল মাসের শুনানিতে আই-প্যাক মামলার শুনানি হয়েছিল। ওই শুনানিতে তদন্তে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল শীর্ষ আদালত। রাজ্যের তরফে আদালতে কেন্দ্র এবং রাজ্যের মধ্যে বিরোধের বিষয়টি তোলা হয়। বিচারপতি মিশ্র বলেছিলেন, “যদি কোনও মন্ত্রী হঠাৎ করে একটি চলমান তদন্তের মধ্যে ঢুকে পড়েন এবং সেটাকে সমান্তরাল ভাবে গণতন্ত্রের মতো চালাতে চান, আর তার পর বলেন— এটা নাকি কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে বিরোধ— তা হলে কি সেটা গ্রহণযোগ্য?’’ কেন্দ্রের তরফে দাবি করা হয়, ওই ঘটনায় গুরুতর অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য সরিয়ে ফেলার সম্ভাবনা থাকে।

গত ৮ জানুয়ারি কয়লা পাচার সংক্রান্ত একটি মামলায় আই-প্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং দফতরে হানা দিয়েছিল ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ওই তল্লাশি অভিযান চলাকালীন সেখানে উপস্থিত হন রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তদন্তে বাধা এবং নথি কেড়ে নেওয়ার অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করে ইডি। ইডির বিরুদ্ধে আদালতে যায় রাজ্যের তৃণমূল সরকারও। গত ১৫ জানুয়ারির শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, ইডির বিরুদ্ধে মামলাকারী পক্ষকে হলফনামা দিতে হবে।

রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে সংবিধানের ৩২ নম্বর ধারায় (সাংবিধানিক প্রতিবিধান সংক্রান্ত মৌলিক অধিকার) অভিযোগ এনেছিল ইডি। সেই সময় রাজ্যের বিরুদ্ধে ‘বেআইনি হস্তক্ষেপের’ অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয় তারা। হলফনামায় রাজ্যের তরফে পাল্টা দাবি করা হয়েছিল যে, আই-প্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং দফতরে ইডির অভিযান সংবিধানের ২১ নম্বর ধারার (জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার) পরিপন্থী।

Advertisement
আরও পড়ুন