অভিযুক্ত পরিচারিকা ফুলি। ছবি: সংগৃহীত।
বাড়িমালিক চিকিৎসককে কুপিয়ে খুন করে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করলেন পরিচারিকা। এ নিয়ে শোরগোল হাওড়ার বালি এলাকায়। অভিযুক্ত তপতী ওরফে ফুলিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, বালির জিটি রোডে বালি গঙ্গা অ্যাপার্টমেন্টের বাসিন্দা ছিলেন রামকৃষ্ণ চালকি। পেশায় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকের বাড়িতে দীর্ঘ দিন ধরে কাজ করতেন ফুলি। বৃহস্পতিবার নিজের ফ্ল্যাটে রক্তাক্ত হয়ে পড়েছিলেন চিকিৎসক। পরিচারিকাই থানায় খবর দেন এবং পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। যুবতী জানান, কাটারি দিয়ে বাড়িমালিককে খুন তিনিই করেছেন।
খুনের নেপথ্যে চিকিৎসক-পরিচারিকার ঘনিষ্ঠতা এবং ব্ল্যাকমেলিংয়ের তথ্য মিলছে। চিকিৎসকের পরিবারের অভিযোগ, ঘনিষ্ঠতার পরে চিকিৎসককে ব্ল্যাকমেল করেছিলেন ফুলি। মৃতের দাদা শ্রীধর চালকি কর্মসূত্রে থাকেন বাটানগরে। তিনি বলেন, ‘‘অফিসে থাকাকালীন সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা নাগাদ খবর পেয়েছি। ভাই দীর্ঘ দিন ধরে ফ্ল্যাটে একা থাকে। রান্নাবান্নার জন্য এক মহিলাকে রেখেছিল। আমাদের বাড়ি ডানকুনিতে। সেখানে মা থাকেন। ভাইয়ের ছেলে বলছে, বাবাকে কাটারি দিয়ে খুন করেছে ওই মেয়েটি।’’ তাঁর অনুমান, টাকার লোভে রামকৃষ্ণকে খুন করেছেন ওই যুবতী। তিনি বলেন, ‘‘হোমিয়োপ্যাথি চিকিৎসার পাশাপাশি ব্যবসা করত ভাই। টাকার জন্যই ও এই কাজ করেছে বলে মনে হচ্ছে।’’
খুনের কথা স্বীকার করলেও কী কারণে খুন করেছেন, সেটা পরিষ্কার করে বলেননি ধৃত যুবতী। শুক্রবার তাঁকে হাওড়া আদালতে হাজির করানো হচ্ছে। তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় খুনের মামলা শুরু হয়েছে।