Tortoise Smuggling

পাচারের সময়ে হাওড়া স্টেশন থেকে উদ্ধার ১৬৫টি কচ্ছপ

আরপিএফ সূত্রের খবর, শুক্রবার দুপুরে হাওড়া স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে আরপিএফ, জিআরপিএস ও সিআইবি-র আধিকারিকেরা গোপন নজরদারি চালাচ্ছিলেন। দুপুর ২টো ৫০ মিনিট নাগাদ ১২ নম্বর প্ল্যাটফর্মের পাশে সিটিআই আউটডোর অফিসের সামনে কয়েকটি ব্যাগ সন্দেহজনক ভাবে পড়ে থাকতে দেখা যায়।

নিজস্ব সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১১ জানুয়ারি ২০২৬ ০৫:২১

— প্রতীকী চিত্র।

পাচার হওয়ার সময়ে হাওড়া স্টেশন থেকে উদ্ধার করা হল বিপুল সংখ্যক কচ্ছপকে। শুক্রবার রাতে হাওড়া স্টেশনের পুরনো কমপ্লেক্স থেকে মোট ১৬৫টি ইন্ডিয়ান ফ্ল্যাপশেল কচ্ছপ উদ্ধার করেছে রেলরক্ষী বাহিনী। তবে এই ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। উদ্ধার হওয়া কচ্ছপগুলিকে হাওড়া জিআরপি জেলা বন দফতরের কাছে পাঠালে সেগুলিকে গড়চুমুক উদ্ধার কেন্দ্রে পাঠানো হয়।

আরপিএফ সূত্রের খবর, শুক্রবার দুপুরে হাওড়া স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে আরপিএফ, জিআরপিএস ও সিআইবি-র আধিকারিকেরা গোপন নজরদারি চালাচ্ছিলেন। দুপুর ২টো ৫০ মিনিট নাগাদ ১২ নম্বর প্ল্যাটফর্মের পাশে সিটিআই আউটডোর অফিসের সামনে কয়েকটি ব্যাগ সন্দেহজনক ভাবে পড়ে থাকতে দেখা যায়। ওই ব্যাগগুলির ভিতর থেকে জালে মোড়া অবস্থায় জীবিত কচ্ছপগুলি উদ্ধার হয়। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পরেও কেউ ওই ব্যাগগুলির মালিকানা দাবি না করায় কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। পরে জিআরপি কচ্ছপগুলি বাজেয়াপ্ত করে। গোটা প্রক্রিয়ার ভিডিয়োগ্রাফিও করা হয়েছে। এর পরে সেগুলিকে বন দফতরের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন রঙের মোট আটটি ব্যাগ থেকে উদ্ধার হওয়া কচ্ছপের সংখ্যা ১৬৫। সেগুলি মূলত ইন্ডিয়ান ফ্ল্যাপশেল প্রজাতির। কচ্ছপগুলি সুস্থ রয়েছে। রাতেই গড়চুমুকের উদ্ধার কেন্দ্রে সেগুলিকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। রেল পুলিশের এক আধিকারিক জানান, পাচারের উদ্দেশ্যই কচ্ছপগুলিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল। পুলিশি নজরদারির কারণে সেগুলি স্টেশন চত্বরে ফেলে রেখেই পালায় অভিযুক্তেরা। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন