Aparupa Poddar Case

দ্বিতীয় বার ডাকে শ্রীরামপুর থানায় হাজিরা অপরূপার, আইনজীবীর বেশে উপস্থিত তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ

অপরূপার কাউন্সিলর স্বামী শাকির আলিকে গ্রেফতার করে এনআইএ। তিন বছর আগে রামনবমীতে অশান্তিতে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত রিষড়ার ওই কাউন্সিলর। তাঁকে নিয়ে যখন গাড়ি করে এনআইএ আধিকারিকেরা বেরিয়ে আসছেন, তখন কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের অপরূপা বাধা দেন বলে অভিযোগ।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬ ১৪:২৯
Aparupa Poddar

থানায় অপরূপা পোদ্দার। —নিজস্ব চিত্র।

অবশেষে শ্রীরামপুর থানায় হাজিরা দিলেন আরামবাগের প্রাক্তন সাংসদ অপরূপা পোদ্দার। শুক্রবার বেলা ১২টা নাগাদ এক আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে থানায় ঢোকেন তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ। অপরূপার পরনেও ছিল আইনজীবীদের মতো কালো পোশাক। মহিলা সিআরপিএফ জওয়ানদের ঘেরাটোপে থানায় ঢোকেন পুলিশের সঙ্গে খারাপ আচরণে অভিযুক্ত তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ।

Advertisement

মঙ্গলবার অপরূপার কাউন্সিলর স্বামী শাকির আলিকে গ্রেফতার করে এনআইএ। তিন বছর আগে রামনবমীতে অশান্তিতে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত রিষড়ার ওই কাউন্সিলর। বিকেলে তাঁকে নিয়ে যখন গাড়ি করে এনআইএ আধিকারিকেরা বেরিয়ে আসছেন, তখন কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের অপরূপা বাধা দেন বলে অভিযোগ। পাশাপাশি, পুলিশের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে মঙ্গলবার সন্ধ্যাতেই শ্রীরামপুর থানায় স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে মামলা রুজু করে পুলিশ। অপরূপাকে তলব করা হয়েছিল বুধবার। কিন্তু স্বামীকে আদালতে তোলা হয়েছিল ওই দিনই। সেই কারণ দেখিয়ে ইমেল মারফত পুলিশের কাছে সময় চান অপরূপা।

এর মধ্যে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট অপরূপার বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা করেছে। শুক্রবার সকালে তাঁকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়। অপরূপা যেতে পারেন, সেই খবর পেয়ে আগে থেকে শ্রীরামপুর থানার সামনে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। গাড়ি থেকে নেমে অপরূপা চটজলদি থানায় ঢুকে যান। সংবাদমাধ্যমকে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি।

বৃহস্পতিবার চন্দননগরের পুলিশ কমিশনার সুনীলকুমার যাদব জানিয়েছিলেন, প্রাক্তন সাংসদকে আবার হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার তাঁকে থানায় আসতে বলা হয়। এই মামলায় আরও কিছু জামিন অযোগ্য ধারা যুক্ত করা হয়েছে বলে জানান তিনি। জানা গিয়েছে, এর পর পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন অপরূপা। তিনি নিজে একজন আইনজীবী। জানিয়েছিলেন, আইনি দিক খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন।

Advertisement
আরও পড়ুন