Calcutta High Court on Sumit Roy

অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের আগাম জামিনের মামলা শুনতে রাজি নয় কলকাতা হাই কোর্ট! কী ব্যাখ্যা?

‘পলাতক’ সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে দু’টি মামলা দায়ের হয়েছে। তাঁর নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। আগাম জামিন চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬ ১৫:০৭
Abhishek Banerjee\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\'s PA

জোড়া মামলায় জামিন চেয়ে আদালতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক-সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে। তবে তাঁর আগাম জামিনের মামলা শুনতে রাজি হল না কলকাতা হাই কোর্ট। শুক্রবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য জানালেন, এর আগে এই মামলা অন্য বেঞ্চ শুনেছে। এই অবস্থায় মামলার শুনানি হবে না।

Advertisement

একটি জমি মামলায় মেদিনীপুর মুখ্য বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত সুমিতের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল। ওই দিনই আইনজীবীর মাধ্যমে আগাম জামিন চেয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন সুমিত। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। তার মধ্যে চাকরি-দুর্নীতি সংক্রান্ত আরও একটি মামলা দায়ের হয় অভিষেকের আপ্তসহায়কের বিরুদ্ধে। দুই মামলাতেই আগাম জামিন চান ‘পলাতক’ সুমিত। দু’টি মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল বিচারপতি সেনগুপ্তের এজলাসে। কিন্তু বিচারপতি সেনগুপ্ত এখন অসুস্থ। তাই বিচারপতি ভট্টাচার্যের এজলাসে মামলাটি শুনানির জন্য ওঠে। কিন্তু তিনি জানান, তাঁর এজলাসে শুনানি সম্ভব নয়।

বেশ কিছু দিন ধরেই সুমিতের খোঁজ চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা। সন্ধান মেলেনি। সুমিতের খোঁজে প্রথমে কলকাতার কালীঘাটে অভিষেকের বাড়িতে গিয়েছিল শালবনি থানার পুলিশ। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করার পরে তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করেছিল তারা। ওই একই দিনে হুগলির শ্রীরামপুরে সুমিতের শ্বশুরবাড়িতেও চলে পুলিশি অভিযান। সেখানেও তাঁর হদিস মেলেনি।

এর মধ্যে বৃহস্পতিবার রাতে দক্ষিণ দিনাজপুরের সড়কে অভূতপূর্ব পরিস্থিতি তৈরি হয়। গঙ্গারামপুর পুরসভার চৌপতি এলাকায় দূরপাল্লার একটি বাসে সুমিত রয়েছেন— এমনই অভিযোগ করে বাসটি ঘেরাও করেন স্থানীয় বিজেপি নেতা-কর্মীরা। খবর পেয়ে সেখানে যায় পুলিশও। তল্লাশিতে দেখা যায়, বাসে সুমিত নেই। রয়েছেন একদা অভিষেকের নিরাপত্তা কর্মী (পিএসও) হিসাবে কাজ করা শরিফুল আলম। তিনি এখন উত্তরবঙ্গে কর্মরত। সব কিছু দেখেশুনে বাসটিকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

Advertisement
আরও পড়ুন