TMC Leaders Arrest

অভিযোগের পাহাড়! চুঁচুড়ায় তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়কের ‘ঘনিষ্ঠ’ দুই যুবককে গ্রেফতার করল পুলিশ

পুলিশ সূত্রের খবর, এলাকায় তোলাবাজি থেকে সাধারণ মানুষ, তৃণমূল ব্যতীত অন্য রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের ভয় দেখানো, কারও জমি দখল করা তো কাউকে মারধর, এমন অনেক অভিযোগ রয়েছে ওই দু’জনের বিরুদ্ধে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৫ মে ২০২৬ ১৫:৫৭
TMC Leaders Arrest

ধৃত দুই তৃণমূল নেতার দাবি, রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার তাঁরা। —নিজস্ব চিত্র।

আবার ঘাসফুল শিবিরে গ্রেফতারি! এ বার চুঁচুড়ার প্রাক্তন বিধায়কের ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত দুই তৃণমূল কর্মীকে পাকড়াও করল পুলিশ। ধৃতদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে।

Advertisement

২০১৭ সালে বন্দুকের বাট দিয়ে মেরে বিজেপি কর্মীর মাথা ফাটিয়ে দেওয়া থেকে ২০২১ এবং ’২৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিরোধী শিবিরকে হুমকি, হুঁশিয়ারি এবং ভয় দেখানোর মতো অভিযোগ। সরকার বদলের পর তৃণমূলের দুই কর্মী বিজয় কাহার ও বীরেন্দ্র সাহানি ওরফে লালনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। স্থানীয়দের দাবি, চুঁচুড়ার প্রাক্তন বিধায়কের ঘনিষ্ঠ ছিলেন ওই দু’জন।

পুলিশ সূত্রে খবর, এলাকায় তোলাবাজি থেকে সাধারণ মানুষ, তৃণমূল ব্যতীত অন্য রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের ভয় দেখানো, কারও জমি দখল করা তো কাউকে মারধর, এমন অনেক অভিযোগ রয়েছে ওই দু’জনের বিরুদ্ধে। গত পুরসভা নির্বাচনের দিন এক বিজেপি কর্মীকে ঘুষি মেরে দাঁত ফেলে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সেই সব অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সোমবার ধৃত তৃণমূল কর্মীদের চুঁচুড়া আদালতে হাজির করানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, হেফাজতে নিয়ে ধৃতদের বিরুদ্ধে অভিযোগ খতিয়ে দেখবে তারা।

তবে আদালতে যাওয়ার সময় ধৃত বিজয় দাবি করেন, তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। তাঁরা বহু বছর ধরে তৃণমূল করেন। এটাই ‘অপরাধ’। ধৃতের কথায়, ‘‘আমারই কিছু বন্ধু, যাঁরা আগে সিপিএম করতেন এবং পরে তৃণমূলে এসেছিলেন। তাঁরা এখন বিজেপি হয়ে ষড়যন্ত্র করে আমাকে ফাঁসিয়েছে।’’ যদিও এই গ্রেফতারি নিয়ে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব আনুষ্ঠানিক ভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি। বিজেপির দাবি, চলতি মাস থেকেই নিরপেক্ষ এবং কঠোর ভাবে পুলিশ-প্রশাসন পরিচালিত হচ্ছে। এখন থেকে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের ঠাঁই হবে জেলে।

Advertisement
আরও পড়ুন