Weeds Seized

মাছের ক্রেটের নীচে গাঁজার বস্তা, আটক তল্লাশিতে

শুক্রবার চন্দননগর থানায় সাংবাদিক সম্মেলন করে ডিসি (চন্দননগর) অর্ণব বিশ্বাস জানান, ওড়িশার বালাসোর থেকে ওই গাঁজা নদিয়ার করিমপুরে পাচার করা হচ্ছিল।

নিজস্ব সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১১ এপ্রিল ২০২৬ ০৭:৪৫
ট্রাক ভর্তি গাঁজা উদ্ধার।

ট্রাক ভর্তি গাঁজা উদ্ধার। নিজস্ব চিত্র ।

রাস্তায় ট্রাক আটকে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার হল সিআইডি এবং চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের যৌথ অভিযানে। কমিশনারেটের কর্তাদের দাবি, ট্রাকে মাছের ক্রেটের তলায় বস্তায় ভরে ওই গাঁজা পাচারের সময় বৃহস্পতিবার গভীর রাতে চন্দননগরের কলুপুকুরে তা আটক করা হয়। ক্রেটগুলি খালি ছিল, মাছ ছিল না। উদ্ধার হওয়া গাঁজার পরিমাণ১৩২.৮৬ কেজি।

শুক্রবার চন্দননগর থানায় সাংবাদিক সম্মেলন করে ডিসি (চন্দননগর) অর্ণব বিশ্বাস জানান, ওড়িশার বালাসোর থেকে ওই গাঁজা নদিয়ার করিমপুরে পাচার করা হচ্ছিল। গাঁজা বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি গাড়ির চালক বিশাল সরকার এবং খালাসি সোনারুল খাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গাড়িটি আটক করা হয়েছে। বিশাল মুর্শিদাবাদের জলঙ্গির বাসিন্দা। সোনারুলের বাড়ি নদিয়ার হোগলবেড়িয়ায়। পৃথক জেলা হলেও ওই দুই এলাকার অবস্থান পাশাপাশি। সাংবাদিক সম্মেলনে সিআইডি এবং চন্দননগর থানার আধিকারিকেরাও উপস্থিত ছিলেন। ধৃতদের আদালতে তোলা হলে বিচারক ১২ দিন পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

কমিশনারেট সূত্রের খবর, গাঁজাভর্তি একটি ট্রাক দিল্লি রোড ধরে নদিয়ায় যাবে, এই খবর পেতেই সিআইডি ও চন্দননগর থানার পুলিশ ফাঁদ পাতে। রাত ৩টে নাগাদ দিল্লি রোড ধরে ভদ্রেশ্বরের শ্বেতপুরে এসে পুলিশের ‘নাকা’ দেখে ট্রাকটি ওই সড়ক ছেড়ে চন্দননগরের দিকে পালানোর চেষ্টা করে। তবে পারেনি।

এক পুলিশকর্তা জানান, পুলিশের গাড়ি ট্রাকটিকে তাড়া করে। চন্দননগরের রেলসেতু থেকে নেমে কলুপুকুরের কাছে পুলিশ একটি ট্রাক রাস্তায় আড়াআড়ি দাঁড় করিয়ে দেয়। রাস্তা আটকে যাওয়ায় গাঁজাভর্তি ট্রাকটি বিদ্যুতের খুঁটিতে ধাক্কা মেরে দাঁড়িয়ে যায়।

তদন্তকারী এক পুলিশ আধিকারিকের দাবি, পুলিশের চোখে ধুলো দিতেই ট্রাকে মাছের ক্রেট সাজানো হয়েছিল। চালক ও খালাসিকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই বিষয়টি তারা স্বীকার করে। তল্লাশিতে মাছের ক্রেটের তলা থেকে বেরিয়ে আসে বস্তায় ভরা থরে থরে গাঁজার প্যাকেট।

আরও পড়ুন