Tiljala Bulldozer Case

তিলজলায় বেআইনি নির্মাণ ভাঙায় স্থিতাবস্থা বজায় থাকবে, নির্দেশ হাই কোর্টের, আপাতত নয় বুলডোজ়ার

গত ১২ মে তপসিয়ার একটি বহুতলের দোতলায় চামড়ার কারখানায় আগুন লেগে গিয়েছিল। তাতে পুড়ে মৃত্যু হয় দু’জনের। এর পরেই বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে তিলজলা-তপসিয়া এলাকায় বুলডোজ়ার অভিযান শুরু হয়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৯ মে ২০২৬ ১৩:৫৪
Calcutta High Court gives order to maintain status quo in Tiljala illegal building case

তিলজলার অবৈধ নির্মাণ ভাঙার উপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের। —ফাইল চিত্র।

তিলজলায় বেআইনি নির্মাণ ভাঙার উপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে বলল কলকাতা হাই কোর্ট। শুক্রবার বিচারপতি শম্পা দত্ত পালের নির্দেশ, ওই সব নির্মাণ ভাঙার উপর স্থিতাবস্থা বজায় থাকবে। মামলাকারী ভাড়াটিয়াদের ৩০ দিনের মধ্যে বক্তব্য শুনতে হবে। নিয়মিত বেঞ্চে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে বলেও জানিয়েন বিচারপতি।

Advertisement

গত ১৫ মে তিলজলা থানা এলাকার তপসিয়ায় বেআইনি নির্মাণ ভেঙে ফেলার উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। এখনই সেখানকার কোনও বাসিন্দার পুনর্বাসনের বন্দোবস্ত করা যাবে না বলেও কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি রাজা বসুচৌধুরীর বেঞ্চ জানিয়েছিল। শহরে বেআইনি নির্মাণ নিয়ে আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও আগের সরকারের ‘নিষ্ক্রিয়তা’ ছিল বলেও উল্লেখ করেছিলেন বিচারপতি রায়চৌধুরী।

গত ১২ মে তপসিয়ার একটি বহুতলের দোতলায় চামড়ার কারখানায় আগুন লেগে গিয়েছিল। তাতে পুড়ে মৃত্যু হয় দু’জনের। আরও তিন জন গুরুতর জখম হন। ওই ঘটনার পরেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, তিলজলার ওই বহুতল বেআইনি ভাবে নির্মিত। তার কোনও বিল্ডিং প্ল্যান নেই এবং সেখানে অবৈধ ভাবে কারখানা চলছিল। বহুতল ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন তিনি। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তিলজলায় বুলডোজ়ার পৌঁছে যায় এবং বাড়ি ভাঙার কাজ শুরু হয়। ওই বহুতলের বাসিন্দারা সে সময় ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন সরকারের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে। তবে বেআইনি বাড়ির বেশ কিছু অংশ ভাঙার প্রক্রিয়া সম্পন্নও হয়ে গিয়েছিল। তা নিয়ে হাই কোর্টে মামলা হওয়ার পর বিচারপতি রায়চৌধুরী স্থগিতাদেশ দিয়েছিলেন। সে সংক্রান্ত স্থিতাবস্থাই বজায় রাখলেন বিচারপতি দত্ত পাল। অর্থাৎ, আপাতত বুলডোজ়ার চলবে না তিলজলায়।

Advertisement
আরও পড়ুন