Calcutta High Court

বেআইনি নির্মাণ না ভাঙায় পুর ইঞ্জিনিয়ারের বিরুদ্ধে কড়া নির্দেশ

একটি অভিযোগের ভিত্তিতে ১৫ নম্বর বরোর অন্তর্ভুক্ত ১৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে একটি পাঁচতলা বেআইনি নির্মাণ ২০১৯ সালে চিহ্নিত করেছিল পুরসভা। তবে তা নিয়ে কোনও পদক্ষেপ না-করায় ২০২৪ সালে হাই কোর্টে মামলা করেন ওই এলাকার এক বাসিন্দা।

নিজস্ব সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৮ মে ২০২৬ ১০:০৮
কলকাতা হাই কোর্ট।

কলকাতা হাই কোর্ট। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

সাত বছরেও বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে পদক্ষেপ না করায় কলকাতা পুরসভার ১৫ নম্বর বরোর বিল্ডিং দফতরের এগজ়িকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি অমৃতা সিংহের নির্দেশ, কর্তব্যে গাফিলতি এবং ইচ্ছাকৃত ভাবে সাত বছর ধরে বেআইনি নির্মাণ না ভাঙায় ওই ইঞ্জিনিয়ারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে হবে কলকাতা পুরসভার কমিশনার ও বিল্ডিং দফতরের ডিজি-কে। ওই আধিকারিকের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, কোর্টকে জানাতে হবে। ২৫ জুন মামলার পরবর্তী শুনানি।

প্রসঙ্গত, একটি অভিযোগের ভিত্তিতে ১৫ নম্বর বরোর অন্তর্ভুক্ত ১৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে একটি পাঁচতলা বেআইনি নির্মাণ ২০১৯ সালে চিহ্নিত করেছিল পুরসভা। তবে তা নিয়ে কোনও পদক্ষেপ না-করায় ২০২৪ সালে হাই কোর্টে মামলা করেন ওই এলাকার এক বাসিন্দা। অভিযোগ, বৈধ নকশা ছাড়াই ওই নির্মাণ হয়েছে। তবু পুরসভা কোনও পদক্ষেপ করেনি। বরং থানায় অভিযোগ করায় অভিযোগকারীকেই হুমকি দেন নির্মাণকারী। সেই মামলায় ১৫ নম্বর বরোর এগজ়িকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারকে তিন মাসের মধ্যে পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি সিংহ। কিন্তু তার পরেও পদক্ষেপ করেননি ওই পুরকর্তা। তাই আদালত অবমাননার অভিযোগ জানান মামলাকারী।

এ দিন ক্ষুব্ধ বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, ২০১৯ সালে বেআইনি নির্মাণ হচ্ছে জেনেও পদক্ষেপ করেননি ওই ইঞ্জিনিয়ার। সাত বছর পরেও পাঁচতলা সেই বেআইনি নির্মাণ অটুট। সেটি ভাঙার কোনও চেষ্টাই করা হয়নি। ‘‘আধিকারিকদের আচরণ থেকেই বোঝা যাচ্ছে, ইচ্ছাকৃত ভাবেই কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি’’— মন্তব্য করেছেন বিচারপতি।

আরও পড়ুন