Messi Incident in Kolkata

মেসি-কাণ্ডে শতদ্রু-অরূপের লড়াই পৌঁছোল হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে! প্রাক্তন মন্ত্রীর রক্ষাকবচ চ্যালেঞ্জ করে মামলা

মঙ্গলবার মামলা দায়েরের অনুমতিও দিয়ে দিয়েছে প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চ। চলতি সপ্তাহেই এই মামলার শুনানি সম্ভাবনা। তার আগে অরূপ বিশ্বাসের কাছে পুলিশের তৃতীয় নোটিস পৌঁছে গিয়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১৬ জুন ২০২৬ ১২:০৫
যুবভারতীতে মেসির অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলার জন্য তৎকালীন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে দায়ী করেছেন শতদ্রু দত্ত।

যুবভারতীতে মেসির অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলার জন্য তৎকালীন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে দায়ী করেছেন শতদ্রু দত্ত।

ফুটবলার লিয়োনেল মেসির কলকাতা সফরে বিশৃঙ্খলার ঘটনায় তৎকালীন ক্রীড়া এবং বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ এনেছেন অনুষ্ঠানের আয়োজক শতদ্রু দত্ত। এ বার প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপের রক্ষাকবচকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করলেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন শতদ্রুর আইনজীবী অরিন্দম জানা।

Advertisement

আদালত সূত্রে খবর, মঙ্গলবার মামলা দায়েরের অনুমতিও দিয়ে দিয়েছে প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চ। চলতি সপ্তাহেই এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা।

তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হওয়ার পর গ্রেফতারি এড়াতে টালিগঞ্জের প্রাক্তন বিধায়ক অরূপ আদালতে রক্ষাকবচের আর্জি জানিয়েছিলেন। কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য অরূপকে রক্ষাকবচ দেন। আদালতের নির্দেশ ছিল, তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে অরূপকে। একই সঙ্গে স্বাধীন এবং নিরপেক্ষ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয় বিধাননগর পুলিশ কমিশনার কে।

একক বেঞ্চের ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে এ বার ডিভিশন বেঞ্চে গেলেন মেসির অনুষ্ঠানের আয়োজক শতদ্রু। অরূপের বিরুদ্ধে তিনি থানায় এফআইআর করেছেন। শতদ্রুর দাবি, গত বছরের ডিসেম্বরে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মেসিদের অনুষ্ঠানের জন্য মোট ৭০ হাজার টিকিট ছাপানো হয়েছিল। পদের ভার এবং প্রভাব দেখিয়ে তার মধ্যে ২২ হাজার টিকিট তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী একাই নিয়ে নিয়েছিলেন। শতদ্রুর অভিযোগ, ওই টিকিটগুলো তৎকালীন মন্ত্রী পরিচিতদের বিলি করার সঙ্গে সঙ্গে বিক্রিও করেছেন। তা ছাড়া অনুষ্ঠানে যাবতীয় বিশৃঙ্খলার জন্য অরূপকে দায়ী করেছেন তিনি। পুরো ঘটনার তদন্ত চান মেসি-কাণ্ডের দিন পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া শতদ্রু। এই সমস্ত বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অরূপকে নোটিস দিয়েছিল পুলিশ। তিনি শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে প্রথম বার হাজিরা এড়ান। তার পর গ্রেফতারির আশঙ্কা করে হাই কোর্টে গিয়ে রক্ষাকবচ পান। রক্ষাকবচের আগেই অবশ্য পুলিশের তৃতীয় নোটিস পৌঁছে গিয়েছিল বিশ্বাসের কাছে। কিন্তু অরূপের এ নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

Advertisement
আরও পড়ুন