RG Kar Financial Irregularity Case

আরজি করে দুর্নীতি: আখতারের বিরুদ্ধে চার্জগঠন শুরু হবে এ মাসেই! সিবিআই ফরেনসিক রিপোর্টেরও অপেক্ষায়

আরজি করের আর্থিক দুর্নীতি মামলায় অতিরিক্ত (সাপ্লিমেন্টারি) চার্জশিটে আখতার এবং শশীকান্তকে অভিযুক্ত হিসাবে দেখিয়েছিল সিবিআই। এর আগে এই মামলায় সন্দীপ, বিপ্লব সিংহ, সুমন হাজরা, আফসার আলি খান, আশিস পাণ্ডের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছিল সিবিআই।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৪:২৫
Charge frame start against Akhtar Ali who is one of the accused in RG Kar Financial irregularities

আখতার আলি। — ফাইল চিত্র।

আর্থিক দুর্নীতি মামলায় আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলির বিরুদ্ধে চার্জগঠন শুরু হবে চলতি মাসেই। আগেই তাঁর বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। সেই চার্জশিটে থাকা আখতার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী শশীকান্ত চন্দকের বিরুদ্ধেও একই দিনে চার্জগঠন হবে আদালতে।

Advertisement

আরজি করের আর্থিক দুর্নীতি মামলায় অতিরিক্ত (সাপ্লিমেন্টারি) চার্জশিটে আখতার এবং শশীকান্তকে অভিযুক্ত হিসাবে দেখিয়েছিল সিবিআই। তাদের দাবি ছিল, আরজি করের তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ এবং আখতার প্রথম দিকে একই সঙ্গে এই দুর্নীতিতে যুক্ত ছিলেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এর আগে এই মামলায় সন্দীপ, বিপ্লব সিংহ, সুমন হাজরা, আফসার আলি খান, আশিস পাণ্ডের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছিল সিবিআই। সেই চার্জশিটের ভিত্তিতে চার্জগঠনও হয়ে গিয়েছে।

আখতার এবং শশীকান্তের বিরুদ্ধে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি চার্জগঠন হবে। মঙ্গলবার সিবিআই আদালতে মৌখিক ভাবে জানায় এই দুর্নীতি মামলার তদন্ত শেষ। তবে প্রয়োজনে আগামী দিনে আবারও তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হতে পারে। আর তা নির্ভর করছে ফরেনসিক রিপোর্টের উপর। সেই রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, এই মামলায় আর তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে কি না!

আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তুলে রাজ্য ভিজিল্যান্স কমিশনকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন ওই হাসপাতালেরই তৎকালীন ডেপুটি সুপার আখতার। ২০২৩ সালে সেই অভিযোগ করা হয়েছিল। তবে তদন্তে নেমে সিবিআই জানায়, সেই আখতারও আর্থিক কেলেঙ্কারিতে যুক্ত!

এই মামলার তদন্তে আখতারকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে বলে দাবি করে সিবিআই। বার বার সমন পাঠিয়ে তলবও করে। কিন্তু প্রায় প্রতি বারই হাজিরা এড়িয়েছেন আখতার। আদালতে সিবিআই দাবি করে, তদন্তের স্বার্থে বার বার আখতারকে সমন পাঠিয়ে তলব করা হয়েছিল। কিন্তু হাজিরা দেননি তিনি। সিবিআই অভিযোগ করে, অসুস্থতাকে ঢাল করে কলকাতা হাই কোর্টে আগাম জামিনের জন্য আবেদন করেছিলেন আখতার। রক্ষাকবচের আর্জি খারিজ করে দেয় উচ্চ আদালত।

গত ৬ ফেব্রুয়ারি আখতারের জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয় আলিপুর আদালত। সেই নির্দেশমতো গত ১০ ফেব্রুয়ারি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন আখতার। আদালত তাঁকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়।

Advertisement
আরও পড়ুন