Girish Park Incident

কেন্দ্রীয় বাহিনীর দেখা মিলল না কেন? গিরিশ পার্কের অশান্তি ও শশীর বাড়িতে হামলায় পুলিশ কমিশনারের রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন

অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগে তপ্ত হয়ে ওঠা গিরিশ পার্কের অশান্তির ঘটনা নিয়ে কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকারের কাছে রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন। প্রশ্ন ওঠে, অশান্তির সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর অনুপস্থিতি নিয়েও।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১৪ মার্চ ২০২৬ ২০:৩৩
Election Commission seeks report from Kolkata Police Commissioner on Girish Park incident

গিরিশ পার্কের অশান্তির ঘটনায় কলকাতার নগরপাল সুপ্রতিম সরকারের থেকে রিপোর্ট তলব নির্বাচন কমিশনের। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

গিরিশ পার্কে অশান্তির ঘটনায় কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকারের কাছে রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন। শনিবার দুপুরে গিরিশ পার্কে রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে হামলার অভিযোগ ওঠে। বিজেপি কর্মীদের মারধরের পাল্টা অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগে তপ্ত হয়ে ওঠা গিরিশ পার্কের অশান্তির ঘটনা নিয়ে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে সুপ্রতিমকে। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর অনুপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে কমিশন।

Advertisement

নির্বাচন কমিশনের এক আধিকারিকের বক্তব্য, ‘‘প্রধানমন্ত্রীর সভায় যোগ দিতে কর্মী-সমর্থকেরা যাচ্ছিলেন। তার মধ্যে রাজ্যের মন্ত্রীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠল। কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা সত্ত্বেও, প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে ওই এলাকায় অশান্তি চলল। তার পরেও সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দেখা যায়নি।’’

শনিবার দুপুরে ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভা ছিল। সেই সভায় যোগ দিতে বিভিন্ন জায়গা থেকে কর্মী-সমর্থকেরা আসেন। মোদীর সভা শুরুর আগে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গিরিশ পার্ক এলাকা। তৃণমূলের অভিযোগ, মোদীর সভায় যোগ দিতে যাওয়ার সময়ে একদল বিজেপি কর্মী শশীর বাড়ি লক্ষ্য করে পাথর ছোড়েন। শশী জানিয়েছেন, গিরিশ পার্কে তাঁর বাড়ির আশপাশে ‘বয়কট বিজেপি’ লেখা পোস্টার, ফ্লেক্স ছিল। বিজেপি কর্মীরা সেখান থেকে যাওয়ার সময় বাস থেকে নেমে এসে সেই সব পোস্টার ছিঁড়ে দেন। তার পরে বাসে উঠে যান। এর পরে আবার তৃণমূল কর্মীরা সেই পোস্টার লাগাতে গেলে বাস থেকে নেমে এসে বিজেপি কর্মীরা মারধর শুরু করেন বলে অভিযোগ।

পাল্টা অভিযোগ করে বিজেপিও। অভিযোগ, তৃণমূল কর্মীরা তাদের বাস লক্ষ্য করে ইট ছোড়েন। আহত হন বেশ কয়েক জন বিজেপি কর্মী। ব্রিগেডগামী বাসেও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলে বিজেপি। দু’পক্ষের অশান্তির মধ্যে পড়ে আহত হন বৌবাজার থানার ওসিও। সেই ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন।

Advertisement
আরও পড়ুন