e-KMC 2.0

ই-কেএমসি ২.০-এ যুক্ত হচ্ছে পরিবেশ ও হেরিটেজ মডিউল, অনলাইনে মিলবে দ্রুত পরিষেবা

দীর্ঘসূত্রিতা ও হয়রানি থেকে নাগরিকদের মুক্তি দিতে বড় পদক্ষেপ করছে কলকাতা পুরসভা। পুরসভার পরিবেশ ও হেরিটেজ বিভাগে আরও উন্নত ও আধুনিক অনলাইন পরিষেবা চালুর লক্ষ্যে শুরু হচ্ছে ই-কেএমসি ২.০-এর নতুন মডিউল।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ ১৫:৩৪
Environmental and Heritage modules are being added to e-KMIC 2.0, faster services will be available online

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

কলকাতার পরিবেশ কিংবা ঐতিহ্য সংক্রান্ত তথ্য জানতে বা কোনও অভিযোগ জানাতে এত দিন সাধারণ মানুষকে দফতরে দফতরে ঘুরতে হত। এই দীর্ঘসূত্রিতা ও হয়রানি থেকে নাগরিকদের মুক্তি দিতে বড় পদক্ষেপ করছে কলকাতা পুরসভা। পুরসভার পরিবেশ ও হেরিটেজ বিভাগে আরও উন্নত ও আধুনিক অনলাইন পরিষেবা চালুর লক্ষ্যে শুরু হচ্ছে ই-কেএমসি ২.০-র নতুন মডিউল।

Advertisement

পুরসভা সূত্রের খবর, এই মডিউল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু করতে ইতিমধ্যেই নির্দেশিকা জারি হয়েছে। পুরো প্রকল্পটির দায়িত্ব থাকবে কলকাতা পুরসভার তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের উপর। ডিজিটাল গভর্ন্যান্স প্ল্যাটফর্মের অংশ হিসাবেই পরিবেশ ও হেরিটেজ মডিউলটি চালু করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে বিভাগের কর্মপ্রবাহ সম্পূর্ণ ডিজিটাল করা হবে এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কাজকর্ম আরও দ্রুত ও স্বচ্ছ ভাবে সম্পন্ন করা যাবে।

কলকাতা পুরসভার লক্ষ্য উন্নত শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং নাগরিকদের জন্য গুণগত, নির্ভরযোগ্য ও দীর্ঘস্থায়ী পরিষেবা নিশ্চিত করা। সেই লক্ষ্য মাথায় রেখে রূপান্তরমূলক সংস্কারের পথে হেঁটে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ ই-কেএমসি ২.০ প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এর আগেও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মডিউল সফলয়ভাবে চালু হয়েছে। এ বার সেই তালিকায় যুক্ত হতে চলেছে পরিবেশ ও হেরিটেজ সংক্রান্ত এই নতুন ডিজিটাল পরিষেবা।

ই-কেএমসি ২.০-এর মাধ্যমে চালু হওয়া পরিবেশ ও হেরিটেজ মডিউল বিভাগকে ঐতিহ্যবাহী স্থান, জলাশয় এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদের তথ্য রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় বিশেষ সহায়তা করবে। সমস্ত তথ্য ডিজিটালি সংরক্ষিত থাকায় নথি খোঁজা, যাচাই করার কাজ অনেক সহজ হবে।

উল্লেখ্য, পরিবেশ ও হেরিটেজ বিভাগের মূল দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে কলকাতা পুরনিগমের আওতাধীন সমস্ত ঐতিহ্যবাহী ভবন, মূর্তি, কাঠামো, স্মৃতিস্তম্ভ, পার্ক এবং জলাশয়ের সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ। নতুন মডিউল চালু হলে এই সব সম্পদের অবস্থান, অবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত তথ্য এক ক্লিকেই পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পুর কর্তৃপক্ষের মতে, এই ডিজিটাল উদ্যোগের ফলে নাগরিকদের হয়রানি যেমন কমবে, তেমনই প্রশাসনিক কাজের গতি ও স্বচ্ছতাও বহুগুণ বাড়বে। আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে শহরের পরিবেশ ও ঐতিহ্য রক্ষায় আরও কার্যকর নজরদারি ও পরিকল্পনা সম্ভব হবে বলেই মনে করছে পুরসভা।

Advertisement
আরও পড়ুন