Kolkata Police

সাইবার প্রতারণা চক্রের হদিস, যোগ ঝাড়খণ্ড-গ্যাংয়ের! ছ’জনকে গ্রেফতার করলেন কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দারা

পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত দুই দফায় এই প্রতারণা মামলার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে ছ’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রথম গ্রেফতার সোদপুর থেকে। পরে এন্টালি থানা এলাকা থেকেও গ্রেফতার করা হয়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:০০
Kolkata police’s detective department arrest six person in cyber fraud case

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

শহরের বুকে এক সাইবার প্রতারণা চক্রের কর্মকাণ্ড ফাঁস করল কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। চলতি মাসের শুরুতে সার্ভে পার্ক থানায় দায়ের হওয়া এক অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে সাফল্য মিলল পুলিশের। তল্লাশি চালিয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে এই চক্রের ছ’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তদন্তে জানা গিয়েছে, এই চক্রের সঙ্গে ঝাড়খণ্ডের এক প্রতারণা চক্রেরও যোগ রয়েছে। কী ভাবে এই চক্র প্রতারণার জাল বিছোত, তারও এক ইঙ্গিত মিলেছে।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত দুই দফায় এই প্রতারণা মামলার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে ছ’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রথম গ্রেফতার সোদপুর থেকে। ধৃতেরা হলেন অরিন্দম দাস, শৌভিক ব্যাপারি, সায়ন রাজবংশী এবং অর্পণ দাস নামে চার জন। অভিযোগ, এই চক্র ভুক্তভোগীর মোবাইলে ‘এপিকে ফাইল’ ডাউনলোড করিয়ে টাকা হাতিয়ে নিত! এই ভাবে ১৯ লক্ষ ৫১ হাজার টাকা সরানোর পরই থানায় মামলা রুজু হয়।

সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত নেমে বিভিন্ন ডিজিটাল প্রমাণের সূত্র ধরে অভিযুক্তদের খোঁজ মেলে। সোদপুর এলাকা থেকে সোমবার রাতে চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে এন্টালি থানা এলাকা আরও দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতেরা হলেন অনীশ সরকার এবং দিলদার আনসারি। তল্লাশি চালিয়ে ধৃতদের থেকে ১২টি মোবাইল ফোন, সোনার চেন, কানের দুল, দামি ঘড়ি, এটিএম কার্ড, চেকবুক, গাড়ি এবং নগদ উদ্ধার হয়েছে। ধৃতেরা কী ভাবে এই চক্র চালাতেন, তার একটা রূপরেখা পেয়েছেন তদন্তকারীরা। পুলিশ সূত্রে খবর, মোবাইলের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন মানুষের ব্যাঙ্কের তথ্য জোগাড় করতেন অনীশ। তার পর সেই সব তথ্য তুলে দেওয়া হত দিলবারের হাতে। ঝাড়খণ্ড-ভিত্তিক এক সাইবার প্রতারণা গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত এই দিলবার। তিনিই বিভিন্ন পন্থায় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা হাতিয়ে নিতেন। তার পরে তড়িঘড়ি সেই টাকায় বিভিন্ন জিনিস কিনে সরিয়ে ফেলতে নিজেদের অ্যাকাউন্ট থেকে। পুলিশ জানিয়েছে এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত, তাঁদের খোঁজ চলছে।

Advertisement
আরও পড়ুন