Jadavpur University

তল্লাশি বিতর্কে যাদবপুরে সংখ্যালঘু কমিশন

যাদবপুরের ইংরেজির ছাত্রদের তরফে আরও দাবি, বিভাগীয় প্রধানকে তদন্ত চলাকালীন সরাতে হবে। যাদবপুরের তরফে দায়িত্বপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সেলিম বক্স মণ্ডল বলেন, ‘‘তথ্যানুসন্ধান কমিটির সুপারিশ পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।’’

নিজস্ব সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৯:৪১
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। — ফাইল চিত্র।

হিজাবধারিণী পরীক্ষার্থীদের মানসিক শুশ্রূষার জন্য যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে দ্রুত পদক্ষেপ করতে আর্জি জানাল রাজ্য সংখ্যালঘু কমিশন। মঙ্গলবার অন্য প্রতিনিধিদের নিয়ে উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করেন কমিশনের চেয়ারপার্সন হাসান আহমেদ ইমরান। তাঁর দাবি, ‘‘হিজাবধারিণীদের আলাদা ভাবে তল্লাশির মধ্যে কিছুটা বৈষম্যের ঘটনা ঘটেছে। সোমবারের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কী করল, জানতে চাইব।’’ এ দিনই তথ্যানুসন্ধান কমিটিতে রবীন্দ্রভারতীর অধ্যাপক দেবব্রত দাস এবং যাদবপুরের অধ্যাপক কামরান মণ্ডলকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আচার্যের প্রতিনিধি কাজী মাসুম আখতারকে কমিটিতে রাখা নিয়ে আপত্তি জানান ইংরেজির ছাত্রদের একাংশ। সেই সঙ্গে কমিটিতে ছাত্র প্রতিনিধি রাখারও দাবি তোলেন তাঁরা। তবে যাদবপুর কর্তৃপক্ষ তা মানতে রাজি হননি বলে সূত্রের খবর।

যাদবপুরের ইংরেজির ছাত্রদের তরফে আরও দাবি, বিভাগীয় প্রধানকে তদন্ত চলাকালীন সরাতে হবে। যাদবপুরের তরফে দায়িত্বপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সেলিম বক্স মণ্ডল বলেন, ‘‘তথ্যানুসন্ধান কমিটির সুপারিশ পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।’’ যাদবপুরের তথ্যানুসন্ধান কমিটির চেয়ারপার্সন, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের অধ্যাপিকা সৈয়দ তনভির নাসরিনও এ দিন যাদবপুরে গিয়েছিলেন। সংখ্যালঘু কমিশন সাধারণ নাগরিক সমাজের এক জন প্রতিনিধি হিসেবে তাঁকে নিয়ে যায়। নাসরিন এ দিন বলেন, ‘‘তথ্যানুসন্ধান কমিটির তরফে আমরা কাজ শুরু করলেই ছাত্র এবং অন্যদের দাবি নিয়ে ভেবে দেখব।’’ ইংরেজির পরীক্ষায় এ বার কয়েক জন ছাত্রছাত্রীকে টোকাটুকির জন্য চিহ্নিত করা হয়। হিজাবধারিণী দুই পরীক্ষার্থী টোকাটুকি করছেন বলে প্রমাণ হয়নি। সোমবার তাঁরা পরীক্ষা দিতে এসেছিলেন। তবে তল্লাশির ঘটনাটিতে তাঁরা অস্বস্তিতে বলেই জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন