Kolkata Police

কলকাতার রাস্তায় পুলিশের উপস্থিতি কেমন? ‘সারপ্রাইজ় ভিজ়িট’ করলেন নগরপাল, বাড়তি দৃষ্টি নারী সুরক্ষায়

ব্যস্ত সময়ে এলাকায় এলাকায় যাতে পুলিশের টহল নজরে পড়ে, তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতার নগরপাল সুপ্রতিম সরকার। সেই নির্দেশের কয়েক দিন পরই রাস্তায় পুলিশের উপস্থিতি কেমন, তা খতিয়ে দেখলেন নিজেই।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:১৭
Police Commissioner Supratim Sarkar makes surprise visit to Kolkata streets on Saturday

গড়িয়াহাটের মোড়ে কলকাতা পুলিশের ‘উইনার্স টিম’-এর সঙ্গে পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার। ছবি: সংগৃহীত।

শহরের রাস্তায় যেন পুলিশ থাকে। এক জন, দু’জন নয়, বেশি সংখ্যক পুলিশের উপস্থিতি নিশ্চিত করার উপর প্রথম থেকেই জোর দিয়েছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার। তাঁর কথামতো রাস্তায় কোথায় কেমন পুলিশ রয়েছে, তা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে শনিবার তিনি নিজেই রাস্তায় নেমে পড়লেন। ঘুরে দেখলেন কলকাতার বিভিন্ন ক্রসিং, শপিং মল।

Advertisement

দিন চারেক আগে দিনের ব্যস্ত সময়ে এলাকায় এলাকায় যাতে পুলিশের টহল নজরে পড়ে, তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন সুপ্রতিম। মাসিক অপরাধ দমন বৈঠকে কলকাতার পুলিশ আধিকারিক এবং থানার আধিকারিকদের সেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। শনিবার রাস্তায় পুলিশের উপস্থিতি কেমন, তা খতিয়ে দেখলেন সুপ্রতিম। তাঁর কথায়, ‘‘আমরা চেষ্টা করছি, কলকাতা পুলিশের যত সংখ্যক কর্মীকে যাতে রাস্তায় দেখা যায়, তা নিশ্চিত করা। সর্ব স্তরের পুলিশকেই রাস্তায় থাকতে হবে।’’

কেন এমন ভাবনা কলকাতার কমিশনারের? সুপ্রতিমের কথায়, ‘‘রাস্তায় বেরিয়ে কেউ কোনও অসুবিধায় পড়লে যাতে কাছাকাছি পুলিশকে দেখতে পান, তা নিশ্চিত করতে হবে। পুলিশ কিন্তু এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকবে না।’’ পুলিশি টহলদারির উপর জোর দেন কলকাতার নগরপাল। তাঁর মতে, উৎসবের মরসুমে সকলে যাতে নিরাপদে রাস্তায় বার হতে পারেন, তা দেখতে হবে।

শনিবার ছিল ‘ভ্যালেন্টাইন্‌স ডে’। প্রেম দিবসে নারী সুরক্ষার উপর জোর দেওয়ার কথা বলেন সুপ্রতিম। তিনি জানান, মহিলা পুলিশের দল রাস্তায় রয়েছে। তাঁর কথায়, ‘‘প্রত্যেক নাগরিক যাতে রাস্তায় বেরিয়ে নিরাপদ বোধ করেন, সেটা আমাদের কাছে অগ্রাধিকার। কোনও মহিলা কোনও অসুবিধায় পড়লে আমাদের সাহায্য পান, তা নিশ্চিত করতে চাই। আমরা তাঁদের পাশে সব সময় আছি। তাঁরা রাস্তায় বেরিয়ে যাতে নিরাপদ বোধ করেন, তাই এই টহলদারি।’’ সুপ্রতিম জানান, শুধু দিনের নির্দিষ্ট সময় বা নির্দিষ্ট ক্রসিংয়ে না, দিনভর সর্বত্র পুলিশের উপস্থিতি যাতে চোখে পড়ে সেই চেষ্টা করা হচ্ছে।

Advertisement
আরও পড়ুন