— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং সংস্থার দফতরে হানা দিয়েছিলেন ইডি-র কোন কোন আধিকারিক? জানতে এ বার সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে সংস্থার দফতরের দুই নিরাপত্তারক্ষীর বয়ান সংগ্রহ করল বিধাননগর পুলিশ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা এফআইআরের ভিত্তিতে ওই তদন্ত শুরু হয়েছে। ঠিক কী ঘটেছিল ওই দিন, জানার চেষ্টা চলছে।
গত বৃহস্পতিবার আইপ্যাক-এর দফতরে ইডি তল্লাশির পরেই পুলিশের দ্বারস্থ হন মমতা। কলকাতা পুলিশের পাশাপাশি বিধাননগর পুলিশের কাছেও এফআইআর দায়ের করা হয়। মুখ্যমন্ত্রীর দায়ের করা সেই দ্বিতীয় এফআইআর-এর ভিত্তিতেই জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে। তল্লাশির সময় কোন কোন আধিকারিক এসেছিলেন, তাঁদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোন জওয়ানেরা ছিলেন, সে সব জানতে আইপ্যাক-এর দফতরের দুই নিরাপত্তারক্ষীর বয়ান রেকর্ড করেছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, কলকাতা পুলিশও পৃথক ভাবে এই মামলার তদন্ত করছে। শনিবার প্রতীকের প্রতিবেশী এবং বাসভবনের নিরাপত্তারক্ষীদের বয়ান সংগ্রহ করা হয়েছে। কথা বলা হয়েছে পরিচারিকার সঙ্গেও। ইতিমধ্যে আইপ্যাক কর্ণধারের বাড়ি এবং দফতরে ইডির তল্লাশির বিষয়ে বেশ কিছু তথ্য পুলিশের হাতে এসেছে বলে খবর। প্রতীকের বাড়ির সিসি ক্যামেরার ফুটেজ এবং আবাসনের রেজিস্টারও সংগ্রহ করা হয়েছে। সে সব খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
গত ৮ জানুয়ারি সকালে লাউডন স্ট্রিটে আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীকের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। একটি দল যায় সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে আইপ্যাক-এর দফতরেও। এর পরেই ইডির বিরুদ্ধে পুলিশের দ্বারস্থ হন মুখ্যমন্ত্রী। ইডি এবং সিআরপিএফের অজ্ঞাতপরিচয় আধিকারিকদের বিরুদ্ধে দু’টি পৃথক থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। একটি অভিযোগ দায়ের হয় শেক্সপিয়র সরণি থানায়, অন্যটি সল্টলেকের ইলেকট্রনিক কমপ্লেক্স থানায়। অনধিকার প্রবেশ, হুমকি দেওয়া বা ভয় দেখানোর মতো নানা অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ হয় তথ্যপ্রযুক্তি আইনেও।