Governor RN Ravi

প্রধানমন্ত্রী মোদীর পথেই জ্বালানি সাশ্রয় করুন! এ বার সংযমের বার্তা দিলেন রাজ্যের রাজ্যপাল রবিও

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দেখানো পথে জ্বালানি সাশ্রয়ের বার্তা দিলেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল আরএন রবি। বৃহস্পতিবার একটি বিবৃতি দিয়ে রাজ্যের বাসিন্দাদের জ্বালানি সাশ্রয় করার আহ্বান জানান তিনি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১৪ মে ২০২৬ ১৪:৫৫

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দেখানো পথে জ্বালানি সাশ্রয়ের বার্তা দিলেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল আরএন রবি। বৃহস্পতিবার একটি বিবৃতি দিয়ে রাজ্যের বাসিন্দাদের জ্বালানি সাশ্রয় করার আহ্বান জানান তিনি। গণপরিবহণ ব্যবহার করার আর্জি জানান।

Advertisement

একই ভাবে আপাতত সোনা না-কেনার আর্জি জানিয়েছেন রাজ্যপাল। এর পাশাপাশি যেখানে সম্ভব, সেখানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে কাজ চালানোর আর্জি জানিয়েছেন তিনি।

প্রসঙ্গত, পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনার আবহে প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই দেশবাসীকে কৃচ্ছ্রসাধনের বার্তা দিয়েছেন। পেট্রল, ডিজ়েল, রান্নার গ্যাস, ভোজ্য তেল, সোনা, তামা, রাসায়নিক সার— এই পণ্যগুলির একটি বড় অংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয় ভারতকে। টান পড়ে দেশের বৈদেশিক মুদ্রাভান্ডারে। পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতার মাঝে এই পণ্যগুলি সংযমী হয়ে ব্যবহারের অনুরোধ করেন প্রধানমন্ত্রী। রবিবার তেলঙ্গানার সেকেন্দরাবাদের এক সভাতে মোদীর মুখে প্রথম ওই আর্জির কথা শোনা গিয়েছিল। সোমবার গুজরাতের ভদোদরায় এক সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী ফের বলেন, ‘‘বিশ্ব দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীলতার এক পর্যায়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যা কোভিড-১৯ অতিমারি দিয়ে শুরু হয়েছিল এবং এখন পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের কারণে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।’’

জ্বালানি সাশ্রয়ের বার্তা দিতে নিজের কনভয়ে গাড়ির সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্তও নিয়েছেন মোদী। একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বপ্রাপ্ত স্পেশ্যাল প্রোটেকশন গ্রুপ বা এসপিজি-র কাছে ইতিমধ্যেই এই মর্মে নির্দেশ গিয়েছে।

এসপিজি-র কাছে পাঠানো নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত রেখেই কনভয়ে গাড়ির সংখ্যা কমাতে হবে। পেট্রল-ডিজ়েলচালিত গাড়ির পরিবর্তে বৈদ্যুতিক গাড়ি ব্যবহারের উপর জোর দিতে হবে। তবে তার জন্য নতুন কোনও গাড়ি এখন কেনা যাবে না বলে স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। মোদীর দেখানো পথে হেঁটে কনভয়ে গাড়ির সংখ্যা কমাচ্ছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং বিজেপিশাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও।

Advertisement
আরও পড়ুন