TMC Office

তৃণমূল ভবন বিতর্ক: থানায় গেলেন কুণাল, চন্দ্রিমা! পদক্ষেপ না-করার আর্জি, জমা করলেন নথিও

সোমবার প্রগতি ময়দান থানায় যান তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছেন বাড়িভাড়া সংক্রান্ত যাবতীয় নথি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬ ২২:২০
Kunal Ghosh, Chandrima Bhattacharya approached Pragati Maidan police station regarding issues related to TMC office in Metropolitan

কলকাতার মেট্রোপলিটনে তৃণমূলের অস্থায়ী কার্যালয়। — ফাইল চিত্র।

তৃণমূলের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘিরে টানাপড়েন অব্যাহত। ওই বহুতলের মালিক মনোতোষ সাহা ওরফে মন্টুর দাবি, বার বার বলার পরেও ওই ভবন খালি করছে না তৃণমূল। সেই অভিযোগ নিয়েই প্রগতি ময়দান থানার দ্বারস্থ হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন তিনি। পরের দিনই তৃণমূলের তরফে যোগাযোগ করা হল ওই থানায়। নির্দিষ্ট কারণ দেখিয়ে আর্জি করা হয়েছে, এ ব্যাপারে পুলিশ বা প্রশাসন যাতে কোনও পদক্ষেপ না করে।

Advertisement

সোমবার প্রগতি ময়দান থানায় যান তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছেন বাড়িভাড়া সংক্রান্ত যাবতীয় নথি। থানায় ওই সব নথি জমা করেছেন কুণালেরা। একই সঙ্গে একটি চিঠিও দেওয়া হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, অস্থায়ী কার্যালয় হিসাবে মেট্রোপলিটনের ওই বহুতলটি ব্যবহার করছিল তৃণমূল। তবে এখন সেটি স্থানান্তর করার প্রক্রিয়া চলছে। সেই অবস্থায় পুলিশ বা প্রশাসন যেন অহেতুক হস্তক্ষেপ না-করে, তার আবেদন করেন কুণাল-চন্দ্রিমারা। তাঁদের আশঙ্কা, এই পরিস্থিতিতে পুলিশ-প্রশাসন যদি পদক্ষেপ করে, তবে উত্তেজনা তৈরি হতে পারে।

বাইপাসের ধারে উত্তর পঞ্চান্ন গ্রামে ছিল তৃণমূলের সদর দফতর। সেটি ভেঙে নতুন করে তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। সে জন্য ২০২১ সালে মেট্রোপলিটনে মনোতোষের বাড়িতে গড়ে ওঠে তৃণমূলের অস্থায়ী কার্যালয়। সেই বাড়ির মালিক মনোতোষের অভিযোগ, ২০২৫ সালে তৃণমূলের সঙ্গে বাড়ি নিয়ে চুক্তি শেষ হয়ে গিয়েছিল। এক বছর কেটে গেলেও বাড়ি ছাড়েনি তৃণমূল। তিনি আরও দাবি করেন, ২০২৬ সালের ভোটের ফলঘোষণার পর আবার তৃণমূল নেতৃত্বকে বাড়ি ছাড়তে বলেন। কিন্তু তৃণমূলের তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। রবিবার তিনি থানার দ্বারস্থ হওয়ার কথা জানান।

উল্লেখ্য, এই মনোতোষের সংস্থা এত দিন তৃণমূলের সমস্ত কর্মসূচিতে মাইক-সহ ডেকরেটার্সের জিনিসপত্র সরবরাহের দায়িত্বে ছিল। সরকারি অনুষ্ঠানের বরাত পেত মনোতোষের মডার্ন ডেকরেটিং। সে সব কারণেই তৃণমূলকে নিজের বাড়ি ব্যবহার করতে দিয়েছিলেন মনোতোষ। যদিও মনোতোষের অভিযোগ, তিনি অনেক কর্মসূচির টাকাই ঠিকঠাক পাননি। চেয়েও সে সব টাকা মেলেনি।

Advertisement
আরও পড়ুন