সাংবাদিক বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত।
কমিশন আদালতের নির্দেশ লঙ্ঘন করেই চলেছে বলে অভিযোগ তুললেন অভিষেক। সেই সূত্রেই অভিষেক জানালেন, এসআইআর নিয়ে আবার সুপ্রিম কোর্টে যাবেন তাঁরা।
বিজেপির বিরুদ্ধে প্রতিহিংসার রাজনীতি করার অভিযোগ তুললেন অভিষেক। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের দাবি, যারা বিজেপিকে ভোট দেয় না, বেছে বেছে তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। বেশ কয়েকটি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটারদের নাম বাদ পড়ার পরিসংখ্যান তুলে ধরেন তিনি।
বিজেপির আসনসংখ্যা ৫০-এর নীচে নামবে বলে ফের দাবি করলেন অভিষেক। বিজেপির উদ্দেশে তিনি বলেন, “এসআইআর-ই করুন বা এফআইআর, ২০২৬-এ আপনারা ৫০-এর নীচে নেমে যাবেন। এক বছর আগে যা বলেছি, আজও তাই বলছি।”
এসআইআর-এর পর কমিশন যে প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে, তা সুপ্রিম কোর্টের কাছে জমা করবেন বলে জানিয়েছেন অভিষেক।
দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে চলছে বলে অভিযোগ করলেন অভিষেক।
ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা (টার্গেট) বেঁধে দিয়েছে বিজেপি। সাংবাদিক সম্মেলনে এমনই অভিযোগ করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি একটি ভিডিয়ো দেখান। সেই ভিডিয়োয় অমিত শাহ, শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার, শান্তনু ঠাকুরদের বলতে শোনা যাচ্ছে, কত নাম বাদ পড়বে। ১ কোটি ২০ লক্ষের একটি হিসাব শোনা গিয়েছে তাঁদের মুখে। অভিষেকের দাবি, খসড়া তালিকা, চূড়ান্ত তালিকা আর বিচারাধীন তালিকা মেলালে প্রায় ওই সংখ্যক ভোটারদেরই নাম বাদ দিতে চলেছে কমিশন।
বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটদলের সদস্য রিচা ঘোষের নাম ভোটার তালিকায় ‘বিচারাধীন’ রয়েছে। এই প্রসঙ্গ উত্থাপন করে নির্বাচন কমিশনকে তোপ দাগলেন অভিষেক। তাঁর কটাক্ষ, “তা হলে তো ভারতের বিশ্বকাপটাই বিচারাধীন।”
সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরেও ফর্ম ৭-এর মাধ্যমে কী ভাবে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।