ধর্মতলার ধর্নামঞ্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: পিটিআই।
ধর্নামঞ্চের সামনের জমায়েতে লিফলেট বিলির অভিযোগে তিন জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে হেয়ার স্ট্রিট থানার পুুলিশ।
বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ব্রিগেড সমাবেশের লিফলেট বিলি করা হচ্ছিল ধর্মতলার ধর্নামঞ্চের কাছে। এক প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, দু’জন এসে তাঁর হাতে ওই লিফলেট দিয়ে চলে যায়। বিজেপি অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সোমবার সাংবাদিক সম্মেলনে দলের নেতা রাহুল সিংহ বলেন, “বিজেপি কোনও লিফলেট ওদের (তৃণমূল) ওখান বিলি করছে না। এটা ওরাই করে বিজেপির নামে দোষ দিচ্ছে। যাঁরা ওখান প্ল্যাকার্ড নিয়ে পৌঁছে গেলেন, তাঁদেরও অধিকার আছে। মুখ্যমন্ত্রী কোন অধিকারে দিনের পর দিন ওখানে রাস্তা আটকে বসে রয়েছেন? কে অনুমতি দিল? পুলিশ অনুমতি দিল কী ভাবে? মুখ্যমন্ত্রীর যদি ওখানে বসে থাকার অধিকার থাকে, তা হলে ওখানে পৌঁছে নিজেদের দাবি তুলে ধরার অধিকার আছে, লিফলেট দেওয়ার অধিকারও আছে।। একই সঙ্গে তাঁর সংযোজন, “আমাদের কোনও কর্মী ওখানে লিফলেট দিতে যাননি। কারণ মোদীজির সভায় আমরা এদের ডাকতে চাই না। আমরা চাই না ব্রিগেডে ওরা আসুক। তাই ওদের লিফলেট দেওয়ার কোনও প্রয়োজন আমাদের নেই।” প্রসঙ্গত, আগামী শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে জনসভা করবেন মোদী।
ধর্নামঞ্চের সামনে জমায়েতে লিফলেট বিলির চেষ্টা করতে গিয়ে ধরা পড়েছেন এক জন! মমতা বলেন, “কোথায় তারা? সাহস আছে? বুকের পাটা আছে? পালিয়েছে নিশ্চয়ই। ধরা পড়েছে। আমাদের লোকেরাই ধরেছে।”
ধর্নামঞ্চে রবীন্দ্রসঙ্গীতে গলা মেলালেন মমতা। অন্য সকলের সঙ্গে ‘এ কী লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ’ গেয়ে ওঠেন তিনি।
বিজেপিকে ‘ভোট চোর’ বলে কটাক্ষ মমতার। বিভিন্ন এলাকায় বিজেপির গতিবিধির উপরে নজর রাখতে বলেছেন তিনি।
বিজেপিকে ভিতুর দল, কাপুরুষের দল বলে কটাক্ষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ভিতুর দল, কাপুুরুষের দল। মানুষ আসছে না। মানুষের সমর্থন নেই। তৃণমূলকর্মীদের কাছে এসেছে লিফলেট বিলি করতে। গলায় দড়ি দিয়ে মরা উচিত।” যারা এই কাজ করছে, তাদের পুলিশের হাতে তুলে দিয়ে এইআইআর করতেও বলেছেন মমতা। এ ক্ষেত্রে দলের তরফে তিনি দায়িত্ব দিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজাকে।
ধর্নামঞ্চের সামনের জমায়েতে বিজেপি লিফলেট বিলির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিষয়ে সজাগ থাকার এবং যারা এই কাজ করছে, তাদের হাতেনাতে ধরার কথা বলেছেন তিনি। সোমবার ধর্মতলায় এসআইআর-বিরোধী ধর্নার চতুর্থ দিনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ধর্নায় যাঁরা আছেন, সবাইকে সতর্ক করছি। বিজেপি বাইরের এজেন্সি দিয়ে লিফলেট বিলির চেষ্টা করছে। ওদের হাতেনাতে ধরুন। পুলিশের হাতে দিয়ে দিন। অন্য রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিতে তাদের ঢোকবার অধিকার নেই।”