Rural Employment Scheme

গ্রামীণ কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে মনরেগা প্রকল্প আবার শুরু রাজ্যে, কার্যকর হবে ‘জি রাম জি’ আইন মেনেই

গ্রামীণ ভারতে কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে আগামী ১ জুলাই থেকে ‘মনরেগা’-র বদলে ‘বিকশিত ভারত- গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ) সংক্ষেপে, ‘ভিবি জি রাম জি’ বা ‘জি রাম জি’ আইন কার্যকর হচ্ছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬ ২০:৩৪
Mahatma Gandhi National Rural Employment Guarantee Scheme (MGNREGS) restarts in West Bengal

প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিয়ে জেলাশাসক ও বিডিওদের উদ্দেশে নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য সরকার। তাতে বলা হল, গ্রামীণ জব কার্ডধারীদের মজুরিভিত্তিক কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়ার লক্ষ্যে রাজ্যে ‘মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা প্রকল্প’ (মনরেগা)-এর বাস্তবায়ন আবার শুরু হয়েছে।

Advertisement

গ্রামীণ ভারতে কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে আগামী ১ জুলাই থেকে ‘মনরেগা’র বদলে বিকশিত ভারত-গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ) সংক্ষেপে, ‘ভিবি জি রাম জি’ বা ‘জি রাম জি’ আইন কার্যকরের নির্দেশিকা জারি করেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার। নতুন প্রকল্পে কাজের নিশ্চয়তা ১০০ দিন থেকে বাড়িয়ে ১২৫ দিন করা হয়েছে এবং মজুরি সরাসরি ডিবিটির মাধ্যমে শ্রমিকদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর ব্যবস্থা হয়েছে। ‘ভিবিজিরামজি’ আইনের শর্ত মেনেই নতুন গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা প্রকল্পের বাস্তবায়ন হবে বলে নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রকল্পের অধীন সমস্ত কার্যক্রম স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং নিরপেক্ষ পদ্ধতিতে সম্পাদিত হবে এবং তা অবশ্যই মনরেগা আইন, ২০০৫, মনরেগা অডিট অফ স্কিমস রুলস, ২০১১, আইনের তফসিল-১ এবং ২, বার্ষিক মাস্টার সার্কুলার, কার্যক্রম নির্দেশিকা, আর্থিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নির্দেশিকা, সামাজিক নিরীক্ষা মানদণ্ড এবং সময়ে সময়ে গ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রক ও পঞ্চায়েত ও গ্রামীণ উন্নয়ন দফতর কর্তৃক জারি করা সমস্ত নির্দেশনার সঙ্গে কঠোর ভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। অতীতে এ সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘন করা হয়েছে বলেও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, মনরেগা প্রকল্পের বাস্তবায়ন শুরুর আগে জেলা প্রশাসনকে ২ কোটি ৫৬ লক্ষ জব কার্ডধারীর তথ্যভাণ্ডার সংশোধন এবং সকল শ্রমিকের ১০০ শতাংশ ‘ই-কেওয়াইসি’ যাচাইকরণ সম্পন্ন করতে হবে। কাজের জিও-ট্যাগিং, প্রকল্প ব্যয় নিরূপণ মাস্টার রোল তৈরি, ই-এমবি রেকর্ডি-সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া শুধুমাত্র নির্ধারিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। প্রচলিত নির্দেশিকা অনুযায়ী আধার-ভিত্তিক পেমেন্ট সিস্টেম-এর মাধ্যমে মজুরি প্রদান করতে হবে। জানানো হয়েছে, আইন অনুযায়ী প্রকল্পের ‘প্রোগ্রাম অফিসার’ হিসেবে ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও) যথাযথ পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন, পরিমাপ, নথিভুক্তকরণ, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, সামাজিক নিরীক্ষা সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রতিপালন, অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং নথি সংরক্ষণ নিশ্চিত করবেন। এর জন্য তাঁকে নিয়মিত ক্ষেত্র পরিদর্শন এবং সময়মতো সংশোধনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

Advertisement
আরও পড়ুন