—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
জুলাই মাসের শুরুতেই বাণিজ্যিক এলপিজি ব্যবহারকারীদের স্বস্তি দিল তেল বিপণন সংস্থাগুলি। ১ জুলাই বুধবার থেকে কলকাতায় ১৯ কেজির বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৭৪ টাকা কমে হয়েছে ৩,০৮১.৫০ টাকা। অন্য দিকে, সাধারণ গ্রাহকদের ব্যবহৃত ১৪.২ কেজির গৃহস্থালি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম অপরিবর্তিত (৯৬৮ টাকা) রাখা হয়েছে।
গত তিন মাসে দু’বার রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি হয়। গত ৭ জুন (রবিবার) থেকে কলকাতায় সিলিন্ডারপিছু গৃহস্থালির রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছিল ৯৬৮ টাকা। আগে ছিল ৯৩৯ টাকা। পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের আবহে পেট্রল ও ডিজ়েলের মূল্যবৃদ্ধিতে একেই ভোগান্তির শিকার হচ্ছিলেন সাধারণ মানুষ। গত ১ জুন থেকে কলকাতায় সিলিন্ডারপিছু বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম ৫৩ টাকা ৫০ পয়সা বৃদ্ধি পেয়ে হয় ৩২৫৫ টাকা ৫০ পয়সা। এর ঠিক পাঁচ দিনের মাথায় দাম বেড়েছিল ১৪.২ কেজির গৃহস্থালিতে ব্যবহৃত সিলিন্ডারেরও।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্য এশিয়ায় যুদ্ধের আবহে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে পেট্রোপণ্যের দাম বেড়েছে। যে কারণে গত কয়েক মাসে ধাপে ধাপে রান্নার গ্যাসের দাম বেড়েছে। তবে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের পর হরমুজ় প্রণালী খুলতেই ধীরে ধীরে জ্বালানির জোগান স্বাভাবিক হচ্ছে। তার জেরেই কমানো হল বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম।
বিশেষজ্ঞদের একাংশের মত, গৃহস্থালির সিলিন্ডারের দাম কবে পরিবর্তন হবে, তা নির্ভর করবে আন্তর্জাতিক বাজারের গতিপ্রকৃতি এবং কেন্দ্রের মূল্যনীতির উপর। বর্তমানে কলকাতায় ১৪.২ কেজির গৃহস্থালির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৯৬৮ টাকা, আর ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম ৩,০৮১.৫০ টাকা।
বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম বৃদ্ধির কারণে প্রভাব পড়েছিল ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে। বিশেষ করে হোটেল, রেস্তরাঁ, ক্যাটারিং এবং ছোট ব্যবসার খরচ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল। এই মূল্যহ্রাস তাদের কিছুটা স্বস্তি দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।