Dilip Ghosh

‘মায়ের আশীর্বাদ নিয়ে কর্মজীবনের নতুন অধ্যায় শুরু’! মন্ত্রিসভার বৈঠকে যাওয়ার আগে ছবি পোস্ট মন্ত্রী দিলীপের

শনিবার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর শপথগ্রহণের পরই বিজেপির আরও পাঁচ জয়ী বিধায়ক মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন। সেই তালিকায় ছিলেন দিলীপ ঘোষও। সোমবার তাঁকে পঞ্চায়েত, কৃষি বিপণন ও প্রাণীসম্পদ দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১১ মে ২০২৬ ২৩:১০
Dilip Ghosh posted a picture with his mother before going to the cabinet meeting on Monday

মা পুষ্পলতার সঙ্গে মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। ছবি: সংগৃহীত।

মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে যোগ দিতে সোমবার সকালেই খড়্গপুরে তাঁর বাংলো থেকে রওনা হয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। তবে কলকাতার উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে নিজের বাংলোয় তাঁর মা পুষ্পলতার সঙ্গে অনেকটা সময় কাটান খড়্গপুর সদরের বিধায়ক তথা রাজ্যর মন্ত্রী। তার পরে মায়ের আশীর্বাদ নিয়ে নতুন কর্মজীবন শুরু করতে নবান্নে আসেন দিলীপ। মায়ের সঙ্গে নিজের একটা ছবিও সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন তিনি। লেখেন, ‘মায়ের আশীর্বাদ নিয়ে কর্মজীবনের নতুন অধ্যায় শুরু’।

Advertisement

শনিবার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন শুভেন্দু। তাঁর শপথগ্রহণের পরই বিজেপির আরও পাঁচ জয়ী বিধায়ক মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন। সোমবার নবান্নে শুভেন্দুর নেতৃত্বে বিজেপি সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দিলীপ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আরও চার মন্ত্রী— অগ্নিমিত্রা পাল, নিশীথ প্রামাণিক, অশোক কীর্তনিয়া এবং ক্ষুদিরাম টুডু। সেই বৈঠকে যোগ দিতে যাওয়ার আগে মায়ের আশীর্বাদ নেন দিলীপ। তাঁর মা থাকেন ঝাড়গ্রামে। তবে তিনি দিন দুয়েক আগেই পুত্রের খড়্গপুরের বাংলোয় চলে এসেছিলেন।

মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরই দিলীপদের দফতর বণ্টন করা হয়। দিলীপকে পঞ্চায়েত, কৃষি বিপণন ও প্রাণীসম্পদ দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই দায়িত্ব পাওয়ার পরেই খুশির হাওয়া খড়্গপুরে। বাসিন্দাদের দাবি, ভবিষ্যতে দিলীপের হাত ধরে পঞ্চায়েত ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে। খড়্গপুর সদরের ৩৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে বেশির ভাগ রয়েছে রেলের এলাকায়। ওই সব রেল কলোনিতে সমস্যা লেগেই রয়েছে। তবে খড়্গপুরবাসী মনে করছেন, এ বার মন্ত্রীর হাত ধরে সেই সব সমস্যার সমাধান হবে।

২০১৬ সালে খড়্গপুর সদর থেকে জিতেই জীবনে প্রথম বিধায়ক হয়েছিলেন দিলীপ। ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটে দিলীপকে মেদিনীপুর আসন থেকে টিকিট দেয় বিজেপি। সেই নির্বাচনও জিতেছিলেন তিনি। ছাড়তে হয় বিধায়ক পদ। তবে ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে আসন বদলায় দিলীপের। বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রে হেরে যান তিনি। কিন্তু দু’বছর পর বিধানসভা নির্বাচনে আবার তাঁকে খড়্গপুর সদর থেকে টিকিট দেয় বিজেপি। চেনা ময়দানে ফিরে জেতেন দিলীপ। মন্ত্রিত্বও পেলেন তিনি।

Advertisement
আরও পড়ুন