Leopard Death

হামলায় জখম ৭, দেহ মিলল চিতাবাঘের

বন দফতর ও স্থানীয় সূত্রের খবর, এ দিন ফালাকাটার ধনিরামপুর ২ পঞ্চায়েতের শিশুবাড়ি সরুগাঁও এলাকার ওই গ্রামে ওই চিতাবাঘ ঢুকে কয়েক জনকে আক্রমণ করে।

নিজস্ব সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ ০৯:৩৪
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

আচমকা গ্রামে ঢুকে পড়েছিল একটি চিতাবাঘ। তার হামলায় পর পর জখম হন জনা সাতেক গ্রামবাসী। অভিযোগ, এর পরেই চিতাবাঘকে ধাওয়া করে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়। সোমবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে আলিপুরদুয়ারের ফালাকাটায়। স্থানীয় সূত্রে খবর, চিতাবাঘের হামলায় আহতদের মধ্যে পাঁচ জনকে বীরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাকি দু’জন ভর্তি অন্য হাসপাতালে।

বন দফতর ও স্থানীয় সূত্রের খবর, এ দিন ফালাকাটার ধনিরামপুর ২ পঞ্চায়েতের শিশুবাড়ি সরুগাঁও এলাকার ওই গ্রামে ওই চিতাবাঘ ঢুকে কয়েক জনকে আক্রমণ করে। খবর পেয়ে জটেশ্বর ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ জখমদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করে। কিন্তু, ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে জনতা। চিতাবাঘটিকে তাড়া করা হয়।

তত ক্ষণে বন দফতরের দলগাঁও রেঞ্জের আধিকারিক ও কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। তাঁদের একটি দল চিতাবাঘটিকে জনতা যে দিকে ধাওয়া করে নিয়ে গিয়েছিল, সে দিকে যায়। সেখানে পৌঁছে তাঁরা দেখেন, চিতাবাঘটি মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। তার গায়ে ছিল একাধিক ক্ষতচিহ্ন। বন দফতরের এক আধিকারিকের দাবি, চিতাবাঘের দেহ ঘিরে থাকা জনতার ভিড়ে অনেকের হাতে লাঠিসোটাদেখা গিয়েছিল।

আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের স্থানীয় সদস্য তথা কর্মাধ্যক্ষ মুক্তা সিংহ দত্ত জানান, দলগাঁও জঙ্গল থেকে চিতাবাঘটি বেরিয়ে এসে গ্রামবাসীদের জখম করেছে। সাম্প্রতিক কালে ওই এলাকায় বন্যপ্রাণীর আনাগোনা বেড়েছে জানিয়ে তিনি বন দফতরের কাছে সচেতনতা ও নজরদারি আরও বাড়ানোর আবেদন জানান। জলপাইগুড়ির বিভাগীয় বনাধিকারিক বা ডিএফও বিজয় বিকাশ বলেন, “চিতাবাঘের হামলায় কয়েক জন গ্রামবাসী জখম হন। পরে চিতাবাঘের দেহও উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। কেউ আত্মরক্ষায় চিতাবাঘটিকে মেরেছে, নাকি ইচ্ছাকৃত ভাবে তাকে মারা হয়েছে, খতিয়েদেখা হচ্ছে।”

আরও পড়ুন