পুরোহিত ছাত্রী। —নিজস্ব ছবি।
পুরোহিতের দায়িত্বে নবাগত ছাত্রী। পুষ্পাঞ্জলি দিলেন সহপাঠী এবং ‘দিদি’রা। এ বারই প্রথম জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজে বাগ্দেবীর আরাধনায় পৌরোহিত্য করলেন ‘মহিলা পুরোহিত।’
জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজে সরস্বতীপুজো হয়েছিল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে। তাদের দাবি, ব্যতিক্রমী এবং প্রগতিশীল ভাবনা থেকে এ বার ছাত্রীকেই পুরোহিতের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই ভাবে শিক্ষাঙ্গনে সামাজিক সচেতনতার একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।
‘পুরোহিত’ দীপ্তাগ্নি রায় জানান, সামাজিক সমতা, আত্মবিশ্বাস এবং পরিবর্তনের ভাবনাকে সামনে রেখেই এই দায়িত্ব নিয়েছিলেন। তাঁদের ‘থিম’, নবাগত ছাত্রীরা যেন ভয়, দ্বিধা ও সামাজিক বাধা অতিক্রম করে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যেতে পারে। নিজেদের ক্ষমতা ও যোগ্যতাকে নতুন ভাবে প্রতিষ্ঠা করতে পারে।
সরস্বতীপুজোর মঞ্চকে একটি সামাজিক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যম হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে। বিদ্যার আরাধনার সঙ্গে সঙ্গে মানবিক মূল্যবোধ ও ইতিবাচক চিন্তাভাবনাও সমান ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষাঙ্গনে একটি অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে। আগামী দিনগুলোতেও রাজ্যের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে এই ধরনের নতুন ও সমাজমুখী উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও সচেতনতা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।