Toy Train in Jangle Safari

আবার টয়ট্রেনে জঙ্গল সাফারি! শুরু হল পরিষেবা, এ বার অভয়ারণ্য দিয়ে ছুটবে পাহাড়ের ‘খেলনা গাড়ি’

টয়ট্রেনে জঙ্গল সাফারি করতে গেলে উপভোগ করতে পারবেন চা বাগানের মনোরম দৃশ্য, পাহাড়ি প্রকৃতির সৌন্দর্য থেকে স্থানীয় সংস্কৃতির স্বাদ।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১১ জানুয়ারি ২০২৬ ১৩:৩৪
রবিবার থেকে শুরু হল টয়ট্রেন পরিষেবা।

রবিবার থেকে শুরু হল টয়ট্রেন পরিষেবা। —নিজস্ব ছবি।

উত্তরবঙ্গে জঙ্গল সাফারির কথা বললেই চোখের সামনে ভেসে উঠে ডুয়ার্সের গহীন অরণ্য। জঙ্গলের রাস্তা দিয়ে হুডখোলা গাড়ি বা হাতির পিঠে চড়ে নিঝুম পরিবেশে জঙ্গলে প্রবেশ। ভয় এবং ভাললাগা মিলিয়ে এক অদ্ভুত রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। সেই রোমাঞ্চকর অভিযানে আবার যুক্ত হল টয়ট্রেন।

Advertisement

টয়ট্রেনের যাত্রাপথের একটা বিরাট অংশ মহানন্দা অভয়ারণ্যকে ঘিরে। সেই অভয়ারণ্যের মধ্যে দিয়েই এ বার ছুটবে পাহাড়ি ‘খেলনা গাড়ি।’ নতুন পরিষেবা শুরু হল রবিবার থেকেই। এখন থেকে শিলিগুড়ি থেকে গয়াবাড়ি পর্যন্ত সপ্তাহে দু’দিন মিলবে এই পরিষেবা। দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে (ডিএইচআর) কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছেন, দীর্ঘ ছয় বছর পর পিপিপি মডেলে চালু হল টয়ট্রেনে জঙ্গল সাফারি। বিশেষ পরিষেবা পর্যটকদের আরও বেশি করে আকর্ষিত করবে বলে আশাবাদী তাঁরা।

টয়ট্রেনে জঙ্গল সাফারি করতে গেলে উপভোগ করতে পারবেন চা বাগানের মনোরম দৃশ্য, পাহাড়ি প্রকৃতির সৌন্দর্য থেকে স্থানীয় সংস্কৃতির স্বাদ। উত্তরবঙ্গের পাহাড়, প্রকৃতি এবং লোক সংস্কৃতির অনন্য অভিজ্ঞতা তুলে ধরাই উদ্দেশ্য। দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের ডিরেক্টর ঋষভ চৌধুরী বলেন, ‘‘এ বার পর্যটনের মরসুমে শুধুমাত্র জঙ্গল সাফারিই নয়, পর্যটকদের আকর্ষিত করতে একাধিক নতুন সাফারি পরিষেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রায় ছ’ বছর পর এই পরিষেবা আবার চালু করা হল। এতে স্থানীয় পর্যটনের প্রসার ঘটবে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘দার্জিলিং বা কার্শিয়াং তো রয়েইছে। কিন্তু গয়াবাড়ি রুটে টয়ট্রেনের রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতাই আলাদা। পিপিপি মডেল করার উদ্দেশ্য, স্থানীয় পর্যটন শিল্প এবং কর্মসংস্থানকে প্রাধান্য দেওয়া। আমরা রাতে কোন টয়ট্রেন চালাব না। দিনের বেলাতেই দু’টি রাইড সম্পন্ন হবে।’’ এ জন্য নতুন বেশ কয়েকটি ইঞ্জিন আনা হয়েছে। ব্রিটিশ আমলের বেশ কিছু কোচকেও সংস্কার করা হয়েছে।

রাজকুমার আগরওয়াল নামে এক পর্যটক বলেন, ‘‘টয়ট্রেনের সঙ্গে অনেক স্মৃতি জড়িয়ে। যখন জানলাম জঙ্গল সাফারি চালু হবে, তখনই পুরো কামরা বুক করেছি। আত্মীয়-বন্ধুদের নিয়ে তিনধারিয়া পর্যন্ত যাব। সেখানেই পিকনিক করব। এই সাফারি চালু হওয়ায় আরও আনন্দ হচ্ছে।’’

পিপিপি মডেলে নেওয়া সংস্থার কর্ণধার সঞ্জয় গোস্বামী বলেন, ‘‘সব রকম ব্যবস্থা থাকছে। সকালের জলখাবার থেকে মধ্যাহ্নভোজ হয়ে বিকেলের টিফিন থাকবে। আশা রাখি, ভাল ভিড় হবে।’’

Advertisement
আরও পড়ুন