—প্রতীকী চিত্র।
‘বন্দে মাতরম’-এর ছ’টি স্তবক বাধ্যতামূলক ভাবে গাওয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিজ্ঞপ্তির বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল কলকাতা হাই কোর্টে। বৃহস্পতিবার সেই মামলার প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ। কোর্টের নির্দেশ, যে তথ্যের ভিত্তিতে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে তার সপক্ষে মামলাকারীকে উপযুক্ত প্রমাণ পেশ করতে হবে আদালতে। ২৩ মার্চ পরবর্তী শুনানি হবে।
এ দিন শুনানিতে কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল (এএসজি) অশোককুমার চক্রবর্তী বলেন যে জনস্বার্থে নয়, বরং নিজস্ব স্বার্থে এই মামলা করা হয়েছে। কোর্ট এ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করতে পারে না। মামলাকারীর আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের পাল্টা দাবি, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত ‘বন্দে মাতরম’ গানের প্রথম দুটি স্তবক গেয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে জুড়ে গিয়েছিল ‘বন্দে মাতরম’-এর কথা ও ভাবনা। পরবর্তীতে দেশের সংবিধানও এই গানকে জাতীয় গানের মর্যাদা এবং স্বীকৃতি দেয়। তবে শুধু প্রথম দু’টি স্তবককেই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ‘বন্দে মাতরম’ মূল গানের শেষ চারটি স্তবক বাধ্যতামূলক করার ফলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা আছে। এর পরেই এই অভিযোগের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে কোর্ট।