Supreme Court of India

আংশিক শিক্ষকদের বেতন, ফের আর্জিতে সায় কোর্টের

পশ্চিমবঙ্গ সরকার ২০১০ সালে নির্দেশিকায় আংশিক সময়ের শিক্ষকদের ১০ দিনের ক্যাজ়ুয়াল লিভ ও ১০ দিনের মেডিক্যাল লিভ-এর অনুমতি দিয়েছিল। শর্ত ছিল, আংশিক সময়ের শিক্ষকদের পূর্ণ সময়ের শিক্ষকদের সমান সংখ্যক ক্লাস করাতে হবে।

নিজস্ব সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ ০৮:৪০

— প্রতীকী চিত্র।

পূর্ণ সময়ের শিক্ষকদের সমান বেতনের জন্য পশ্চিমবঙ্গের আংশিক সময়ের শিক্ষকদের রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দফতরের কাছে নতুন করে আর্জি জানানোর অনুমতি দিল সুপ্রিম কোর্ট। যে সব স্কুল সরকারি অনুদানে চলে না, সে সব স্কুলের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট এই ব্যাপারে সায় দিয়েছে। শীর্ষ আদালতের বিচারপতি বিক্রম নাথ ও বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে, রাজ্য প্রশাসনকে চার মাসের মধ্যে এ বিষয়ে যুক্তিসঙ্গত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

পশ্চিমবঙ্গ সরকার ২০১০ সালে নির্দেশিকায় আংশিক সময়ের শিক্ষকদের ১০ দিনের ক্যাজ়ুয়াল লিভ ও ১০ দিনের মেডিক্যাল লিভ-এর অনুমতি দিয়েছিল। শর্ত ছিল, আংশিক সময়ের শিক্ষকদের পূর্ণ সময়ের শিক্ষকদের সমান সংখ্যক ক্লাস করাতে হবে। সমান কাজের জন্য সমান বেতন চেয়ে আংশিক সময়ের শিক্ষকেরা এর পরে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা করেন। হাই কোর্ট স্কুল শিক্ষা দফতরকে সিদ্ধান্ত নিতে বলায় দফতর জানিয়েছিল, আংশিক সময়ের শিক্ষকদের স্থায়ী হিসেবে নিয়োগ করা যাবে না।

এর বিরুদ্ধে ফের হাই কোর্টে মামলা হয়। হাই কোর্ট আংশিক সময়ের শিক্ষকদের পুরো বেতন দেওয়ার নির্দেশ দেয়। বলা হয়, ২০০৭ থেকে বকেয়া মিটিয়ে দিতে হবে। মামলা ডিভিশন বেঞ্চে গেলে তারাও ২০১০ থেকে বকেয়া মেটানোর নির্দেশ দেয়। এর বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে এসেছিল। আজ সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, স্কুল শিক্ষা দফতর সিদ্ধান্ত না নিলে আবেদনকারী শিক্ষকরা আইন অনুযায়ী আদালতের দ্বারস্থ হতে পারবেন। বিচারপতি নাথ মজা করে বলেছেন, ‘‘তা বলে এখানে চলে আসবেন না।’’

আরও পড়ুন