IPAC Case

সুপ্রিম কোর্টে ফের পিছোল আইপ্যাক মামলার শুনানি! গত বার পিছোয় ইডির আর্জিতে, এ বার আইনজীবীর অসুস্থতায়

গত ৮ জানুয়ারি একটি মামলায় আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং দফতরে হানা দিয়েছিল ইডি। ওই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তল্লাশি অভিযান চলাকালীন সেখানে উপস্থিত হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:৩৬
আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈন। ইডির আইপ্যাক অভিযান সংক্রান্ত মামলার মঙ্গলবার শুনানির কথা ছিল সুপ্রিম কোর্টে।

আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈন। ইডির আইপ্যাক অভিযান সংক্রান্ত মামলার মঙ্গলবার শুনানির কথা ছিল সুপ্রিম কোর্টে। —ফাইল চিত্র।

সুপ্রিম কোর্টে ফের পিছিয়ে গেল আইপ্যাক সংক্রান্ত মামলার শুনানি। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র এবং বিচারপতি সঞ্জীব মেহতার বেঞ্চে মামলার শুনানির কথা ছিল। কিন্তু আইনজীবী কপিল সিব্বল অসুস্থ থাকার কারণে মামলার শুনানি সম্ভব হল না। পরবর্তী শুনানি কবে হবে, তা-ও জানিয়ে দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

Advertisement

গত সপ্তাহের মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এই মামলার শুনানির কথা ছিল আদালতে। কিন্তু ওই দিন শুনানি হয়নি। ইডির আবেদনের প্রেক্ষিতে শুনানি এক সপ্তাহ পিছিয়ে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই মতো মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ফের মামলাটি শুনানির জন্য ওঠার কথা ছিল। কিন্তু সরকার পক্ষের আইনজীবী সিব্বল অসুস্থতার কারণে ফের পিছিয়ে গেল শুনানি। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি ফের এই মামলা শুনানির জন্য উঠবে।

গত ৮ জানুয়ারি কয়লা পাচার সংক্রান্ত একটি মামলায় আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং দফতরে হানা দিয়েছিল ইডি। ওই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তল্লাশি অভিযান চলাকালীন সেখানে উপস্থিত হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তদন্তে বাধা এবং নথি কেড়ে নেওয়ার অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করে ইডি। ইডির বিরুদ্ধে আদালতে যায় রাজ্যও। গত ১৫ জানুয়ারির শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, ইডির বিরুদ্ধে মামলাকারী পক্ষকে হলফনামা দিতে হবে। গত ২ ফেব্রুয়ারি সেই হলফনামা জমা দেয় রাজ্য। তার পরেই গত সপ্তাহে ইডির তরফে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আবেদন করেন, রাজ্যের দেওয়া হলফনামা খতিয়ে দেখার জন্য সময় দেওয়া হোক। সেই আর্জির প্রেক্ষিতেই পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল গত সপ্তাহের শুনানি।

সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে রাজ্যের তরফে ইডির মামলা খারিজের আবেদন করা হয়। রাজ্যের বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টে এই মামলা দায়ের করার কোনও মৌলিক অধিকার নেই ইডির। যে ভাবে তল্লাশি হয়েছে, সে ভাবে তল্লাশি চালানো যেতে পারে না। কেন আইপ্যাককে কোনও আগাম নোটিস দেওয়া হয়নি, সে প্রশ্নও তোলা হয়েছে রাজ্যের তরফে।

উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সংবিধানের ৩২ নম্বর ধারায় (সাংবিধানিক প্রতিবিধান সংক্রান্ত মৌলিক অধিকার) অভিযোগ এনেছিল ইডি। রাজ্যের বিরুদ্ধে ‘বেআইনি হস্তক্ষেপের’ অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয় তারা। হলফনামায় রাজ্য পাল্টা দাবি করে, আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং দফতরে ইডির অভিযান সংবিধানের ২১ নম্বর ধারার (জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার) পরিপন্থী।

Advertisement
আরও পড়ুন