Shoot out at Howrah

হাওড়ায় প্রোমোটার খুনে মূল অভিযুক্ত হারুন এখনও অধরা! আগে থাকতেন আফগানিস্তানে, দাবি করল নিহতের পরিবার

বুধবার সকালে হাওড়ার গোলাবাড়ি থানার পিলখানা এলাকায় গুলি করে খুন করা হয় সৌফিক খান নামে এক প্রোমোটারকে। নিহতের পরিবারের দাবি, তাঁর কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেছিলেন কয়েক জন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৪:৫৬
নিহত প্রোমোটার সৌফিক খান।

নিহত প্রোমোটার সৌফিক খান। ছবি: সংগৃহীত।

হাওড়ায় প্রোমোটার খুনের ঘটনায় এখনও অধরা মূল অভিযুক্ত হারুন খান। তবে এই হত্যাকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত তিন জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কলকাতা থেকে মহম্মদ বিলাল, মহম্মদ ওয়াকিল এবং দিলদার হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত হারুনকে পালাতে সাহায্য করেছিলেন এই তিন অভিযুক্ত।

Advertisement

বুধবার সকালে হাওড়ার গোলাবাড়ি থানার পিলখানা এলাকায় গুলি করে খুন করা হয় সৌফিক খান নামে এক প্রোমোটারকে। নিহতের পরিবারের দাবি, তাঁর কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেছিলেন কয়েক জন। না-দেওয়ায় কথা বলতে বলতে ‘পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ’ থেকে গুলি করা হয় প্রোমোটারকে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর।

নিহতের পরিবারের তরফে দাবি করা হয়, হারুন এবং রোহিত গুলি চালিয়ে খুন করেছেন সৌফিককে। বৃহস্পতিবার সৌফিকের পরিবার দাবি করে, হারুন আগে আফগানিস্তানের কাবুলে থাকতেন। বছর সাত-আগে হাওড়ায় আসেন তিনি। নিহত সৌফিকের দিদি আনোয়ারী বেগম বলেন, “এত সহজে অভিযুক্ত হারুন খানকে ছাড়ব না। আমার বাবা পুলিশ ছিল। ও পুলিশের ছেলেকে মেরেছে। হারুন আফগানিস্তানের কাবুল থেকে সাত-আট বছর আগে এসেছে। ও বড় ক্রিমিনাল।”

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হাওড়ার পিলখানা থার্ড লেনের একটি ফ্ল্যাটের পাঁচ তলায় থাকেন হারুন। কিন্তু এখন সেই ফ্ল্যাট তালাবন্ধ রয়েছে। পরিবারের লোকেরাও কেউ নেই সেখানে। এই বহুতলের নীচে রয়েছে একটি ক্লাব। এই ক্লাবে যাতায়াত ছিল হারুনের। বুধবার উত্তেজিত জনতা ওই ক্লাবে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বাইকে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই গোটা এলাকা থমথমে রয়েছে। এলাকায় রয়েছে পুলিশ পিকেট।

প্রোমোটার খুনের ঘটনা নিয়ে হাওড়া সিটি পুলিশের কমিশনার আকাশ মাঘারিয়া বলেন, “পিলখানা হত্যাকাণ্ডে তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।” তবে তদন্তের স্বার্থে এই ব্যাপারে বেশি কিছু বলতে চাননি তিনি। মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করার জন্য সব রকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কমিশনার।

Advertisement
আরও পড়ুন