পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল আরএন রবি। —ফাইল চিত্র।
পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন সিভি আনন্দ বোস। বৃহস্পতিবার তাঁর ইস্তফার সঙ্গে সঙ্গেই তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল আরএন রবিকে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদে নিয়োগ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। আর শনিবার নতুন রাজ্যপাল কবে কলকাতার লোকভবনে আসবেন, সে বিষয়ে কেন্দ্র থেকে বার্তা এল। সব ঠিকঠাক থাকলে আগামী বুধবার কলকাতায় আসবেন তিনি। তার পরেই রাজ্যপালের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে।
আগামী সোমবার কলকাতায় পা রাখছে নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ। সোম ও মঙ্গলবার রাজ্য প্রশাসনের কর্তারা ব্যস্ত থাকবেন নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকদের নিয়ে। মনে করা হচ্ছে, সেই সব কথা মাথায় রেখেই রবি নিজের কলকাতা আগমনের দিন হিসাবে ১১ মার্চকেই বেছে নিয়েছেন। আপাতত নবান্নতে রাজ্যপালের আগমণের বার্তা পৌঁছে গেলেও, কবে তাঁর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে, সে বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি বলেই জানা গিয়েছে। তবে নবান্নের এক আধিকারিক বলেন, ‘‘সোম ও মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ রাজ্য থেকে দিল্লি ফিরে গেলেই যে কোনও দিন বিধানসভা নির্বাচনের ঘোষণা হয়ে যাবে। তাই তার আগেই নতুন রাজ্যপালের শপথ অনুষ্ঠান হয়ে যাবে বলেই আমরা আশা করছি।’’
উল্লেখ্য, তামিনাড়ুর রাজ্যপাল হওয়ার আগে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এবং আইবি (ইন্টালিজেন্স ব্যুরো)-তে ছিলেন রবি। পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের আগে প্রাক্তন আইপিএস অফিসারকে রাজ্যপালের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের সঙ্গে রবির সংঘাত সর্বজনবিদিত। এ বার সেই পরিস্থিতি কি এ রাজ্যেও তৈরি হতে পারে? প্রশ্ন উঠছে প্রশাসনিক মহলে।